© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

র‍্যাবের গোপন বন্দিশালায় গুম : চলছে তৃতীয় সাক্ষীর জেরা

শেয়ার করুন:
র‍্যাবের গোপন বন্দিশালায় গুম : চলছে তৃতীয় সাক্ষীর জেরা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:১২ পিএম | ২০ এপ্রিল, ২০২৬
র‍্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন সেলে (টিএফআই) গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দেওয়া তিন নম্বর সাক্ষীর জেরা চলছে। এ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক-বর্তমান সেনা কর্মকর্তাসহ ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ জেরা শুরু হয়। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এদিন সকালে এ মামলায় গ্রেপ্তার ১০ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এ মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছেন ১০ জন। তারা হলেন- র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।

শেখ হাসিনা ছাড়া পলাতক অন্যরা হলেন- শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ, র্যাবের সাবেক ডিজি এম খুরশিদ হোসেন, র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ ও র্যাবের সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. খায়রুল ইসলাম।

মামলায় তিন নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন মাসরুর আনোয়ার চৌধুরী। তিনিও ২০২০ সালে গুমের শিকার হয়েছিলেন। ১৯ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালে দেওয়া জবানবন্দিতে সেসব দিনের বীভৎস বর্ণনা তুলে ধরেন তিনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ তার জেরা শুরু হয়।

প্রথমে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, কেএম আজাদ, মোমেনসহ সাত আসামির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো। জেরায় সাক্ষীকে নানা প্রশ্ন করেন তিনি। এর মধ্যে ২০২০ সালে হোটেল হলি ডে ইন-এ পারচেজ ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন না বলে দাবি করেন আইনজীবী। জবাবে সত্য নয় বলে জানান মাসরুর আনোয়ার। তার জেরা এখনও চলমান রয়েছে।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর সহিদুল ইসলাম সরদার, প্রসিকিউটর আবদুস সাত্তার পালোয়ান। সঙ্গে রয়েছেন প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী, সুলতান মাহমুদসহ অন্যরা।

এবি/টিএ

মন্তব্য করুন