© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিসিবি নির্বাচন: তামিম ইকবাল

শেয়ার করুন:
জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিসিবি নির্বাচন: তামিম ইকবাল

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:২৩ পিএম | ২১ এপ্রিল, ২০২৬
খুব শিগগির অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন। বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল জানিয়েছেন, আগামী জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে তার নেতৃত্বাধীন বোর্ড কাজ করে যাচ্ছে।

নির্বাচনে অস্বচ্ছতার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ড ভেঙে দিয়েছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)।

এরপর অ্যাডহক কমিটি গঠনের সময়ই তিন মাসের মধ্যে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের কথা বলা হয়। ১১ সদস্যের এ কমিটি সেই লক্ষ্য সামনে রেখে তাদের কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছে বলে জানা গেছে।



গতকাল সোমবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডে চলাকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তামিম ইকবাল। এ সময় আসন্ন নির্বাচনের পরিকল্পনা তুলে ধরেন সাবেক এ অধিনায়ক। একই সঙ্গে তিনি জানান, বোর্ডে নতুন নেতৃত্ব আসার মাধ্যমে বিসিবির ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা এবং খেলোয়াড়দের কল্যাণে নানা উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

জানা গেছে, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই জেলা, বিভাগ ও ক্লাবগুলো থেকে কাউন্সিলর পাঠানোর সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। পাশাপাশি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াও শুরু করবে অ্যাডহক কমিটি। তাদের লক্ষ্য, জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই নির্বাচিত বোর্ডের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা।

দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই অ্যাডহক কমিটি কিছু দৃশ্যমান উদ্যোগ নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে দেশের মাটিতে ম্যাচগুলোতে আবার ‘বল-বয়’ ব্যবস্থা চালু করার কথা জানিয়েছেন তামিম ইকবাল। তিনি নিশ্চিত করেছেন, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চট্টগ্রামে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকেই এটি কার্যকর হবে। চট্টগ্রামের সন্তান তামিম নিজের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে বলেন, তিনি একসময় বলবয় হিসেবেও কাজ করেছেন। তার ভাষায়, ‘কখন এটা (বলবয় প্রথা) বন্ধ হয়েছে জানি না, তবে এটা থাকা উচিত। টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকেই আবার বলবয় থাকবে।’

তামিম আরও জানান, ১৯৯৮ সালে এমসিসির বাংলাদেশ সফর এবং ২০০৪ সালে ভারতের সফরের সময় তিনি বলবয় হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘তখন আমি বলবয় ছিলাম। এটা খুব ভালো একটি বিষয়।’

এ ছাড়া, দেশের সব আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারের জন্য ‘ক্রিকেটার্স কার্ড’ চালুর ঘোষণা দেন তিনি। এটি সম্প্রতি চালু হওয়া ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’ উদ্যোগের একটি সম্প্রসারিত রূপ। নতুন এই কার্ডের মাধ্যমে বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটারদের জন্য আরও বিস্তৃত কল্যাণ ও স্বীকৃত কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

এমআর/টিকে  

মন্তব্য করুন