২ মাসে ৩৩৮ ফ্লাইট বাতিলঅবশেষে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে শাহ আমানতের আকাশপথ
ছবি: সংগৃহীত
০৯:৪৯ পিএম | ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থার প্রভাবে দীর্ঘ দুই মাস চরম অস্থিরতায় থাকার পর অবশেষে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। গত ১৮ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির প্রভাবে আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইট চলাচলে স্থবিরতা কেটেছে। তবে সংকট পুরোপুরি না কাটায় এখনো দৈনিক গড়ে দুই থেকে তিনটি ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছেন শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ১৮ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাত দিনে ১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য রুটের তিনটি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি, এয়ার অ্যারাবিয়ার শারজাহ রুটের আটটি এবং সালাম এয়ারের মাস্কাট রুটের চারটি ফ্লাইট রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, যুদ্ধবিরতি শুরুর পর বিমান বাংলাদেশ, সালাম এয়ার, এয়ার অ্যারাবিয়া ও ইউএস-বাংলার শারজাহ, দুবাই এবং আবুধাবি রুটের ফ্লাইটগুলো অনেকটাই স্থিতিশীল হয়ে এসেছে। দীর্ঘ অচলাবস্থার পর চট্টগ্রাম-দোহা রুটে পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে।
দ্রুতই এই রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা শুরু হওয়ার পর থেকে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় দেখা দেয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত শাহ আমানত বিমানবন্দরে সর্বমোট ৩৩৮টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারানোর পাশাপাশি চরম ভোগান্তিতে পড়েছিলেন কয়েক হাজার প্রবাসী যাত্রী।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা নিরাপদ হতে শুরু করায় এয়ারলাইনসগুলো তাদের নিয়মিত শিডিউলে ফেরার চেষ্টা করছে। যুদ্ধবিরতি দীর্ঘস্থায়ী হলে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ফ্লাইটের এই স্বাভাবিক ধারা পুরোপুরি পুনরুদ্ধার হবে।’
এসকে/টিকে