মাদক সেবন ও বিক্রি বন্ধে গড়তে হবে সামাজিক প্রতিরোধ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত
০১:০৪ এএম | ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু বলেছেন, গত ১৭ বছর ধরে বাংলাদেশে একটি সমস্যা ছড়িয়ে আছে| তা হলো- মাদক, ইভটিজিং, অনলাইন জুয়া, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি। আওয়ামী লীগ সরকারের এত নির্যাতনের ভেতরেও আমরা এসব অপরাধের বিরুদ্ধে কথা বলেছি।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার গঠন হয়েছে। মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই গণতান্ত্রিক সরকার বদ্ধপরিকর।
তবে এই সামাজিক ব্যথির বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমাদের শিক্ষার্থী ও যুব সমাজের ভবিষ্যতের জন্য তাদেরকে সোচ্চার করাতে হবে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে নিজ নির্বাচনী এলাকা ফরিদপুরের নগরকান্দায় জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম হল রুমে মাদক, চাঁদাবাজি, ইভটিজিং, অনলাইন জুয়া, সন্ত্রাস, বাল্যবিবাহ ও জমিজমা বিরোধ নিরসনে সামাজিক সচেনতামূলক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, যেখানে অন্যায় ও অত্যাচার হবে, সেখানে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এগুলো শুধু পুলিশ-প্রশাসন ও আমি একা পারব না। সকলে মিলে সমস্যা সমধান করতে হবে। প্রত্যেকটা গ্রামে গ্রামে আপনারা সচেতন মহলেরা প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন। আপনারা প্রতিজ্ঞা করুণ যে আপনাদের গ্রামে চাঁদাবাজ ও মাদক থাকবে না। তাহলে এক সময় চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে উঠবে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক এলাকায় মাদক, ইভটিজিং, অনলাইন জুয়া, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি করে কমিটি গঠন করা হবে। কমিটিতে কোনো রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা থাকবে না। সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক ও এনজিও কর্মীদের দিয়ে এই কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির সদস্যরা এসব অপরাধের বিরুদ্ধে কাজ করবেন। মাদক সেবন ও বিক্রি বন্ধ করতে হলে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
নগরকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ, সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান, উপজেলার বিএনপির সাবেক সহসভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী শরীফ, যুবদল নেতা তৈয়বুর রহমান মাসুদ প্রমুখ।
এমআর/টিএ