© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

নিউ ইয়র্কের রাস্তায় সরাসরি গান গেয়ে নজর কাড়লেন ভারতীয় বর-কনে!

শেয়ার করুন:
নিউ ইয়র্কের রাস্তায় সরাসরি গান গেয়ে নজর কাড়লেন ভারতীয় বর-কনে!

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:৩১ পিএম | ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত এবং অভিজাত রাস্তা নিউ ইয়র্কের ফিফথ অ্যাভিনিউ। সাধারণত যেখানে বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের শোরুম আর ব্যস্ত মানুষের ভিড় থাকে, সেখানেই দেখা গেল এক টুকরো ভারত। এক ভারতীয় যুগলের রাজকীয় বিয়ের শোভাযাত্রা বা বরাত-এর জেরে কার্যত স্তব্ধ হয়ে গেল ম্যানহাটনের এই আইকনিক রাস্তা। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই জমকালো উদযাপনের ভিডিও এখন রীতিমতো ভাইরাল।

বিগ ফ্যাট ইন্ডিয়ান ওয়েডিং-এর সংজ্ঞা বদলে দিয়ে পাংক্তি দোশি এবং ডঃ অবীশ জৈন তাদের বিয়ের প্রবেশ মুহূর্তটিকে একটি জীবন্ত কনসার্টে পরিণত করেছিলেন। প্রথাগতভাবে ডিজে বা ব্যান্ডের তালে না নেচে, এই সংগীতপ্রেমী যুগল নিজেরাই হাতে মাইক্রোফোন তুলে নেন। ফিফথ অ্যাভিনিউ দিয়ে যাওয়ার সময় তারা বলিউডের জনপ্রিয় সব হিট গান গেয়ে এবং নেচে উপস্থিত জনতাকে মুগ্ধ করেন। তাদের এই বিশেষ পারফরম্যান্সকে নিউ ইয়র্ক শহরের প্রতি এক প্রেমপত্র হিসেবে বর্ণনা করেছেন অনেকে।

নিউ ইয়র্কের মতো ব্যস্ত শহরে ফিফথ অ্যাভিনিউ বন্ধ করা মোটেও সহজ কাজ নয়। এই বিশাল আয়োজনের পেছনে ছিল দীর্ঘ পরিকল্পনা। নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগ এবং স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে একাধিক বিশেষ অনুমতি বা পারমিট নেওয়ার পরই এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা সম্ভব হয়েছিল। সাধারণ বরাত-এ যেখানে বাদ্যযন্ত্রের প্রাধান্য থাকে, সেখানে বর-কনের সরাসরি গান গাওয়া এই অনুষ্ঠানকে এক অনন্য মাত্রা দিয়েছিল।

ভিডিওটি ভাইরাল হতেই নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। একাংশ যেমন এই যুগলের সৃজনশীলতা, আত্মবিশ্বাস এবং আনন্দের প্রশংসা করেছেন, অন্য অংশটি আবার ব্যস্ত জনবহুল রাস্তায় এই ধরনের বড় আকারের আয়োজনের ফলে তৈরি হওয়া জনভোগান্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

উল্লেখ্য, ম্যানহাটনের ফিফথ অ্যাভিনিউ বিশ্বের অন্যতম দামী এবং মর্যাদাপূর্ণ রাস্তা হিসেবে পরিচিত। সাক্স ফিফথ অ্যাভিনিউ, গুচি, কাটিয়ারের মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের অবস্থান এখানে। এই প্রথম নয়, গত বছরও লোয়ার ম্যানহাটনে প্রায় ৪০০ জনের একটি ভারতীয় বিয়ের শোভাযাত্রা ভাইরাল হয়েছিল। তবে পাংক্তি ও অবীশের এই সরাসরি গান গেয়ে পথ চলা নিউ ইয়র্কবাসীর কাছে এক নতুন অভিজ্ঞতা হয়ে রইল।

সূত্র: এনডিটিভি

কেএন/এসএন

মন্তব্য করুন