© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ট্রাইব্যুনালে আসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেনপ্রসিকিউশনের নির্দেশ মেনে হাজির করা হয়েছে সাবেক মন্ত্রী কামরুলকে

শেয়ার করুন:
প্রসিকিউশনের নির্দেশ মেনে হাজির করা হয়েছে সাবেক মন্ত্রী কামরুলকে

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:০৫ পিএম | ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় ট্রাইব্যুনালে আসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলাম। তবে যেকোনো মূল্যে তাকে হাজিরের নির্দেশ দেন প্রসিকিউশন। ওই নির্দেশনার দুই ঘণ্টার মধ্যেই তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার পর তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

জানা গেছে, মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলামসহ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আদেশের দিন ধার্য রয়েছে আজ। তবে সকালে পিজি হাসপাতাল থেকে ট্রাইব্যুনালে আনতে গেলে অস্বীকৃতি জানান সাবেক এই মন্ত্রী।

বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার ও চিফ প্রসিকিউটরের কাছে জানান কারা কর্তৃপক্ষ। এ সময় না আসার কারণ জানতে চান তারা। তবে কারা কর্তৃপক্ষের যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয় উল্লেখ করে যেকোনো মূল্যে হাসপাতাল থেকে হাজির করতে কারা কর্তৃপক্ষকে মৌখিক নির্দেশ দেয় প্রসিকিউশন। বেলা সাড়ে ১১টার পর তাকে হাজির করা হয়।

এদিন এ মামলায় অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশ দেবেন ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল।

গত ১১ মার্চ কামরুল ও মেননের অব্যাহতি (ডিসচার্জ) চেয়ে আবেদন করেন আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। তিনি দাবি করেন, তার মক্কেলদের বিরুদ্ধে অভিযোগের পক্ষে প্রসিকিউশন কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারেনি। কোনো হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণও দেখাতে পারেনি। এ কারণে তাদের অব্যাহতি চান তিনি।

গত ২ মার্চ দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন জানিয়ে শুনানি শেষ করে প্রসিকিউশন। শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনার সরকারকে টিকিয়ে রাখতে বিভিন্ন উসকানি দিয়েছেন কামরুল ও মেনন। তারা আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ পদে থেকে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর মারণাস্ত্র ব্যবহার এবং কারফিউ জারির প্ররোচনা দেন। তাদের ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়।

রাজধানীর বাড্ডাসহ আশপাশের এলাকায় ২৩ জনকে হত্যাসহ এ মামলায় তাদের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। গত ৩ ফেব্রুয়ারি প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।

এসএস/এসএন

মন্তব্য করুন