© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

৩০ হাজার কোটির সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, সঞ্জয় কাপুরের অ্যাকাউন্ট স্থগিত

শেয়ার করুন:
৩০ হাজার কোটির সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, সঞ্জয় কাপুরের অ্যাকাউন্ট স্থগিত

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:৩৯ পিএম | ০৩ মে, ২০২৬
বলিউড অভিনেত্রী কারিশমা কাপুরের সাবেক স্বামী সঞ্জয় কাপুরের মৃত্যুর পর তার প্রায় ৩০ হাজার কোটি রুপির বিপুল সম্পত্তি ঘিরে শুরু হয়েছে জটিল বিরোধ। এই সম্পদের মালিকানা নিয়ে একাধিক পক্ষ নিজেদের দাবি তুলে ধরেছেন। দাবিদারদের তালিকায় রয়েছেন সঞ্জয়ের বর্তমান স্ত্রী প্রিয়া কাপুর, তার মা রানি কাপুর এবং কারিশমা কাপুরের সঙ্গে তার দুই সন্তান সামারা কাপুর ও কিয়ান কাপুর।

বর্তমান স্ত্রী প্রিয়া কাপুর সম্পত্তির ওপর নিজের একক অধিকার বজায় রাখতে অনড় অবস্থানে রয়েছেন এবং সে অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপও নিয়েছেন। অন্যদিকে, কারিশমা কাপুরের দুই সন্তানও নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর বিষয়টি আদালতে গড়ায় এবং শেষ পর্যন্ত আদালত এ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় দেন।

এর আগে কারিশমার দুই সন্তান দাবি করেছেন, প্রিয়া তাদের বাবার সম্পত্তি জাল করেছেন। জালিয়াতি করে বানানো নতুন উইলে সম্পত্তি নিয়ে স্পষ্ট তথ্য দেননি। সঞ্জয়ের জমি, বাড়ি ও তার সংস্থা ছাড়াও ছিল দামি দামি ঘোড়া। ছিল বহুমূল্যের সব ঘড়ি, যেগুলোর বাজারমূল্য কয়েক লাখ, কয়েকটি আবার কোটির ঘরে। সম্পত্তিসংক্রান্ত নথিতে এ ধরনের জিনিসের কোনো উল্লেখ করেননি প্রিয়া। যখন উইলটি বানানো হয়, সে সময় একবারও কারিশমার দুই সন্তানকে দেখানোর প্রয়োজন পর্যন্ত মনে করেননি তিনি।



কিয়ান ও সামারার এই অভিযোগের ভিত্তিতে রায় দিলেন দিল্লির উচ্চ আদালত। গতকাল দেয়া রায়ে জানানো হয়, সঞ্জয়ের বিদেশের সমস্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ রাখা হবে। ওই অ্যাকাউন্টগুলো থেকে কোনো রকমের আর্থিক লেনদেন করতে পারবেন না প্রিয়া।

এই রায় কারিশমার দুই সন্তানকে যে স্বস্তি দিয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। এই রায় প্রকাশের পর বোন কারিনা কাপুর খান ইঙ্গিতপূর্ণ একটি পোস্ট দিয়ে লেখেন, ‘আশার আলো, বিচার আমরা পাবই। সত্য প্রকাশ্যে আসবে।’

আদালত আরও নির্দেশ দেন, সঞ্জয় কাপুরের সম্পত্তি অবশ্যই সংরক্ষণ করা প্রয়োজন এবং এগুলো কোনোভাবেই হস্তান্তর কিংবা নষ্ট করা যাবে না। একই সঙ্গে প্রিয়া সচদেব কাপুর যাতে ওই সম্পত্তিগুলো কোনোভাবেই বিক্রি না করতে পারেন, তাতে আদালত একটি অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশও জারি করেছেন।

আইকে/টিএ

মন্তব্য করুন