আটকের ১২ ঘণ্টা পর কুমিল্লার সেই বিএনপি সভাপতি মুক্ত
ছবি: সংগৃহীত
০২:১৩ এএম | ০৪ মে, ২০২৬
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ুমকে আটক করে থানায় নেওয়ার ১২ ঘণ্টা পর মুক্তি দিয়েছে পুলিশ। তবে কি কারণে তাকে আটক করা হয়েছে বিষয়টি নিশ্চিত করেননি পুলিশ।
এদিকে তাকে আটক করার পর থেকেই কুমিল্লার কোতোয়ালী থানা অবরোধ করে রাখেন বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। এছাড়াও অর্ধদিন কুমিল্লার বিভিন্ন বাস টার্মিনাল থেকে বাস চলাচল বন্ধসহ ছোট যান চলাচলও বন্ধ ছিল। বন্ধ ছিল দোকানপাট।
রোববার (৩ মে) দিবাগত রাত ১২টার দিকে রেজাউল কাইয়ুমকে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা থেকে মুক্তি দেয় পুলিশ। এর আগে, দুপুর ১২টার দিকে তাকে নগরীর শাসনগাছা এলাকা থেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
রাত ১২টায় কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা প্রাঙ্গণ থেকে দেখা গেছে, দিনে আটককৃত বিএনপি নেতা রেজাউল কাইয়ুম থানা থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন। এসময় থানা ফটকের সামনে অবস্থানরত নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানান। পরে কুশল বিনিময় শেষে তিনি একটি গাড়িতে উঠলে কিছুক্ষণ পর গাড়িটি ছেড়েযায়। তার পেছনে পেছনে কয়েকটি মোটরসাইকেল বহর নিয়ে যান নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।
তাকে ১২ ঘণ্টা আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে পুলিশের কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বক্তব্য জানা যায়নি। তবে দুপুরে তাকে আটক এবং জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন কোতোয়ালি মডেল থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার।

এদিকে রাত ১০টার দিকে থানার সামনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক মো. শরীফ। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রেজাউল কাইয়ুমের বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ ছিল। আমরা সেটি খতিয়ে দেখছি। ঠিক তার বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ রয়েছে সে বিষয়ে প্রশ্ন করলে পুলিশ কর্মকর্তা শরীফ জানান, এ বিষয়ে আপনাদের কাছে আমি মন্তব্য করতে পারব না। তবে অভিযোগের বিষয়গুলোর প্রমাণ পেলে তাকে আগামীকাল সকালে আদালতে তোলা হতে পারে।
পুলিশ পরিদর্শকের এমন কথার দুই ঘণ্টা পর বিএনপি নেতা রেজাউল কাইয়ুম থানা থেকে ছাড়া পান।
আটকের ১২ ঘন্টা পর মুক্তি পেয়ে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য রেজাউল কাইয়ুম বলেন, আমাকে নিয়ে বড় ধরনের ষড়যন্ত্র হয়েছিল। তা এখন মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে। কষ্ট করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ"।
এসকে/টিএ