সাংবাদিকদের কেউ কেউ হত্যার চেয়েও বড় অপরাধ করেছেন: জাহেদ উর রহমান
ছবি: সংগৃহীত
১১:২৭ এএম | ০৬ মে, ২০২৬
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর যেসব সাংবাদিকদের হত্যা মামলা দেওয়া হয়েছে তাদের কারো কারো অপরাধ হত্যার চাইতে বেশি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
গতকাল মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ড জানাতে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি মন্তব্য করেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, যারা বন্দি আছেন তারা গণহত্যার মামলায় আসলে বন্দি নেই, তারা আসলে বন্দি আছেন হত্যা মামলায়। এটা নিয়ে প্রশ্নটা সবচেয়ে বেশি এসেছে যে- একটা স্পেসিফিক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তারা সেখানে হত্যাকাণ্ডের মধ্যে পার্টিসিপেট করেছেন মামলাটা এইরকম।
তিনি বলেন, এনাদেরকে গণহত্যার দায় খানিকটা বরং দেওয়া যায়। আমি কিন্তু রিপিট করছি কথাটা- গণহত্যা না আসলে আমরা আওয়ামী লীগকে বা শেখ হাসিনাকে বিচার করেছি মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য। আমাদের জুলাইতে কিন্তু গণহত্যা হয়নি কিন্তু ক্রাইম এগেনস্ট হিউম্যানিটি হয়েছে। এটা শেখ হাসিনার আগে থেকে শুরু- যেমন ধরুন গুম সিস্টেম্যাটিক্যালি হয়েছে।
এটা একটা ক্রাইম এগেনস্ট হিউম্যানিটি। আর জুলাইয়ে তো হয়েছেই।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, এই যে সাংবাদিক যাদের যাদেরকে এই ধরনের হত্যা মামলা দেওয়া হয়েছে, তাদের কারো কারো অপরাধ হত্যা মামলার হত্যার চাইতে বেশি। আমি রিপিট করছি।
যাদের যাদের এই ধরনের মামলা দেওয়া হলো, কারো কারো অপরাধ হত্যার চাইতে বেশি। কিন্তু এখানে একটা কিন্তু আছে। সেইটা সংশ্লিষ্ট যে অপরাধ আমরা মনে করছি যে গণহত্যার দায়ভার তাদের আছে কিনা।
তিনি বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নুরেমবার্গ ট্রায়ালে বা টোকিও ট্রায়ালে বা রুয়ান্ডা গণহত্যার পর যখন বিচারগুলো হচ্ছিল। সেখানে এই গণহত্যাকে সমর্থন করা বা এগুলোকে হতে দেওয়ার জন্য যারা কোনো না কোনো ফর্মে ন্যারেটিভ তৈরি করেছেন তাদের কিন্তু বিচারের আওতায় আনা হয়েছে।
সুতরাং তাদের আনা যাবে না তা বলছি না কিন্তু আমি আপনার সাথে এটা একমত যেই অপরাধে যেই অভিযোগে তারা গ্রেপ্তার আছেন আমি এই দায়িত্বে আসার আগে নির্বাচনের আগে আমি বলেছি যে এই কাজগুলোতে তাদেরকে অভিযুক্ত করা ভুল।
এসকে/এসএন