© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বিদেশের মাটিতে পা রাখলে হয়ে উঠি এক টুকরো বাংলাদেশ: ভাবনা

শেয়ার করুন:
বিদেশের মাটিতে পা রাখলে হয়ে উঠি এক টুকরো বাংলাদেশ: ভাবনা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:১৩ পিএম | ০৭ মে, ২০২৬
বিনোদন জগতের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা মস্কো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে নিজের অভিনীত সিনেমা ‘পায়ল’ (আর্কটিক বিভাগ) নিয়ে হাজির হয়েছিলেন। বিদেশের মাটিতে লাল গালিচায় নিজের দেশের সংস্কৃতি তুলে ধরতে তিনি বেছে নিয়েছিলেন দেশীয় বেনারসি। তবে পোশাকের চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে তার 'কাকপ্রীতি'।

আশনা হাবিব ভাবনা কখনো তার অভিনয়, কখনোবা ক্যানভাসে ফুটিয়ে তোলা শিল্পকর্ম-  সবখানেই মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন। আর কাকের প্রতি তার অগাধ ভালোবাসার কারণে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝেও বেশ আলোচনা আর ট্রলে থাকেন অভিনেত্রী। এ বিষয়টি নিয়ে নেটিজেনদের নানা চর্চা হলেও ভাবনা নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অভিজ্ঞতা এবং 'কাকপ্রীতি' নিয়ে কথা বলেছেন আশনা হাবিব ভাবনা।



মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অভিজ্ঞতার কথা তুলতেই দেশপ্রেমের কথা বলেন অভিনেত্রী। উৎসবে বেনারসি গাউন পরার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিদেশের মাটিতে পা রাখলে আমি আর ব্যক্তিগত ভাবনা থাকি না, আমি হয়ে উঠি একটুকরো বাংলাদেশ।

অভিনেত্রী বলেন, রেড কার্পেটে সবুজ বেনারসিতে আমি আসলে নিজেকে বাংলাদেশের পতাকার আদলে তুলে ধরতে চেয়েছি। আমি চেয়েছি আমাদের বেনারসি যেন শুধু বিয়ের পোশাকে সীমাবদ্ধ না থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সমাদৃত হয়।

অন্যদিকে কাকের প্রতি তার অকৃত্রিম ভালোবাসা প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, 'ভালোবাসার উৎপত্তি তো আসলে বলে বোঝানো যায় না। আমি পৃথিবীর সব কাককে ভালোবাসি। তিনি বলেন, আমাদের ঢাকা শহরে তো টিয়া বা অন্য পাখি অহরহ দেখা যায় না। আমি পুরান ঢাকায় বড় হয়েছি, সেখানে প্রথম যে পাখিটি দেখেছি, সেটি ছিল কাক। আর প্রথম দেখা সেই পাখির প্রেমেই আমি পড়ে গেছি।'

কাক নিয়ে নেটিজেনদের নানা ট্রল প্রসঙ্গে ভাবনা বলেন, কাক নিয়ে তিনি ছবি আঁকেন এবং এই ভালোবাসাকে বিদেশের মাটিতেও রিপ্রেজেন্ট করেছেন। তিনি বলেন, আপনারা যে এই ‘কাক কাক’ করেন, আমি চাই আপনারা বরং তাদের একটু ভালোবাসুন। বারান্দায় একটু খাবার বা পানি দিন।

অভিনেত্রী বলেন, আমি প্রতিশোধ নেওয়ায় বিশ্বাস করি না। আমি সব সৃষ্টিকর্তা আর প্রকৃতির ওপর ছেড়ে দিই। কারণ আপনি যদি নিজে প্রতিশোধ নেন, তবে প্রকৃতি সেটি নেবে না। আমি বিশ্বাস করি, আমার হয়ে প্রকৃতিই লড়বে এবং প্রকৃতির প্রতিশোধ হবে অনেক বেশি ভয়ঙ্কর।

এসএ/এসএন

মন্তব্য করুন