সবজির কেজি পেরোল ৬০, ডিম ডজনে বাড়ল ১০ টাকা
ছবি: সংগৃহীত
১২:৪৩ পিএম | ০৮ মে, ২০২৬
রাজধানীর বাজারে আবারও বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম। বিশেষ করে সবজি ও ডিমের বাজারে অস্থিরতা বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। বেশিরভাগ সবজিই এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকার ওপরে। একই সঙ্গে সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দামও বেড়েছে ডজনে ১০ টাকা পর্যন্ত।
শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে বর্তমানে লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায় এবং সাদা ডিম ১৩০ টাকায়। বিক্রেতাদের দাবি, সরবরাহ কমে যাওয়ায় পাইকারি বাজারেই দাম বেড়েছে।
ডিম বিক্রেতা সোলেয়মান বলেন, বাজারে ডিমের সরবরাহ কম থাকায় পাইকারিতে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। সে কারণেই খুচরা পর্যায়েও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
মুরগির বাজারে সোনালি মুরগির দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে অন্যান্য জাতের মুরগির দাম। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়। দেশি মুরগির দাম কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৮০ টাকায়। এছাড়া সোনালি মুরগি ৩৫০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ২০ টাকা বেড়ে ৩৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তবে গরু ও খাসির মাংসের বাজারে তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২৫০ টাকায়।
সবজির বাজারেও রয়েছে বাড়তি চাপ। বর্তমানে প্রতি কেজি পটোল ৬০ টাকা, কাঁকরোল ১০০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৫০ টাকা, পেঁপে ১০০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং টমেটো ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি পিস লাউ ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৪০ টাকায়।
সবজি বিক্রেতা আনিস বলেন, গ্রামাঞ্চল থেকে পর্যাপ্ত সবজি আসছে না। পাশাপাশি পরিবহন খরচও বেড়েছে। ফলে বাজারে দামের চাপ তৈরি হয়েছে।
নিত্যপণ্যের অন্যান্য বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি চিনির দাম ৫ টাকা বেড়ে হয়েছে ১১০ টাকা। খোলা আটা ও ময়দার দামও কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে খোলা আটা বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা এবং খোলা ময়দা ৬৫ থেকে ৭০ টাকায়।
মসলার বাজারেও বেড়েছে দাম। কেজিতে প্রায় ৪০০ টাকা বেড়ে এলাচ বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৮০০ থেকে ৫ হাজার ৪০০ টাকায়।
এদিকে ক্রেতারা বলছেন, নিত্যপণ্যের লাগামহীন দামে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে। হাসিব নামে এক ক্রেতা বলেন, আয় বাড়ছে না, অথচ প্রতিদিনই কোনো না কোনো পণ্যের দাম বাড়ছে। এতে পরিবার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
এসএন