© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

‘আমরা আয়তনে ছোট, কিন্তু স্বপ্নে বড়’ কুরাসাও অধিনায়কের হুঙ্কার

শেয়ার করুন:
‘আমরা আয়তনে ছোট, কিন্তু স্বপ্নে বড়’ কুরাসাও অধিনায়কের হুঙ্কার

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:১৩ পিএম | ১০ মে, ২০২৬
আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপে ‘জি’ গ্রুপের খেলায় জার্মানি, ইকুয়েডর এবং আইভরি কোস্টের মতো দলের বিপক্ষে মাঠে নামবে কুরাসাও। ফুটবলের বিশ্বমঞ্চে তারা কেবল একটি দেশ হিসেবে নয়, বরং এক অবিশ্বাস্য রূপকথার প্রতিনিধি হিসেবে লড়বে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ক্ষুদ্রতম এই দেশটির অধিনায়ক লিয়ান্দ্রো বাকুনা ফিফাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তারা কাউকে ভয় পান না।

কুরাসাও ফুটবল দলের যাত্রাটা বেশিদিনের নয়। এই অল্প সময়েই এই দলটি যে একদিন বিশ্বমঞ্চে খেলবে, তা অনেকের কাছেই ছিল কল্পনাতীত। ৩৪ বছর বয়সী বাকুনা বলেন, ‘১০ বছর আগে যখন আমি এই দলে আসি, তখনই আমরা বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন দেখতে শুরু করি। আজ সেই স্বপ্ন সত্যি হয়েছে। আমাদের দেশটি আয়তনে ছোট হতে পারে, কিন্তু আমরা সবসময় বড় কিছু অর্জন করার বিশ্বাস রেখেছি।’

লিয়ান্দ্রো বাকুনার সাথে এবারের বিশ্বকাপে খেলবেন তার ভাই জুনিনহো বাকুনাও। নেদারল্যান্ডের অনূর্ধ্ব-২১ দলের হয়ে খেলা জুনিনহো যখন জাতীয় দল বেছে নিতে দ্বিধায় ছিলেন, তখন বড় ভাই লিয়ান্দ্রোই তাকে কুরাসাওয়ের হয়ে খেলার প্রস্তাব দেন।



বাকুনা বলেন, ‘নিজের দেশের হয়ে দুই ভাইয়ের একসঙ্গে বিশ্বকাপ খেলা এক বিরল সৌভাগ্য। আমাদের পুরো পরিবারই ফুটবল পাগল।’

আন্ডারডগ মানসিকতা ও বড় লক্ষ্য প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে আসলেও কুরাসাও কেবল অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে না।

বাকুনা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ‘আমরা আন্ডারডগ হতে পারি, কিন্তু আমরা কাউকে ভয় পাই না। আমরা শুধু আনন্দ করতে আসছি না। আমরা দেখাতে চাই একটি ছোট দেশও কী করতে পারে। আমরা এখানে বড় ব্যবধানে হারতে আসিনি, বরং নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করতে এসেছি।’

তিনি বলেন, ‘আমার বয়স এখন ৩৪। অনেকে আমাকে নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। এই বিশ্বকাপ আমার জন্য বড় এক স্বস্তির জায়গা। আমি মানসিকভাবে ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত হচ্ছি যাতে বিশ্বকে দেখিয়ে দিতে পারি কেন আমি এখানে।’

এমআই/টিএ

মন্তব্য করুন