মিয়ানমারে ১১ হাজার ক্যারেটের বিশাল রত্নপাথর আবিষ্কার
ছবি: সংগৃহীত
০৪:৪৫ এএম | ১১ মে, ২০২৬
মিয়ানমারের খনি শ্রমিকরা একটি বিশাল ও বিরল রুবি বা রত্নপাথর আবিষ্কার করেছেন, যা দেশটিতে এ পর্যন্ত পাওয়া দ্বিতীয় বৃহত্তম রুবি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে রোববার (১০ মে) এনডিটিভি জানিয়েছে, উচ্চ মান্দালয় এলাকার সংঘাত-কবলিত মোগোক অঞ্চলে ওই রুবি আবিষ্কার করা হয়।
এবিসি নিউজের প্রতিবেদন অনুসারে, রুবিটির ওজন ১১ হাজার ক্যারেট বা প্রায় ২.২ কিলোগ্রাম এবং এটি মিয়ানমারের রত্নপাথর শিল্পের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত মোগোকের কাছে মাটি খুঁড়ে পাওয়া গেছে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমারের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির ঐতিহ্যবাহী নববর্ষ উৎসবের কিছুদিন পর এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে অপরিশোধিত রুবিটি আবিষ্কৃত হয়।
নতুন আবিষ্কৃত রুবিটির ওজন ১৯৯৬ সালে পাওয়া ২১ হাজার ৪৫০ ক্যারেটের পাথরটির প্রায় অর্ধেক হলেও, বিশেষজ্ঞরা এর রঙ ও গুণমানের কারণে এটিকে অধিক মূল্যবান বলে মনে করছেন বলে জানা গেছে।
রুবিটিকে হলদে আভাসহ বেগুনি-লাল রঙের, মাঝারি স্বচ্ছতা, অত্যন্ত প্রতিফলক পৃষ্ঠ এবং উচ্চ মানের বর্ণবিশিষ্ট হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ রুবি মিয়ানমারে উৎপাদিত হয়, যার বেশিরভাগই আসে মোগোক ও মং সু অঞ্চল থেকে। বৈধ ও অবৈধ উভয় প্রকার রত্নপাথরের ব্যবসা দেশটির আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
যদিও গ্লোবাল উইটনেসের মতো মানবাধিকার গোষ্ঠী ও সংস্থাগুলো গহনা ব্যবসায়ীদের মিয়ানমার থেকে রত্নপাথর কেনা থেকে বিরত থাকার জন্য বারবার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের যুক্তি, এই রত্নশিল্প বহু বছর ধরে দেশটির সামরিক সরকারকে আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে।
সূত্র: এনডিটিভি
এসকে/টিএ