© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

‘ছাগলকাণ্ডে’র মতিউরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ৫ জুলাই

শেয়ার করুন:
‘ছাগলকাণ্ডে’র মতিউরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ৫ জুলাই

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:২৮ পিএম | ১১ মে, ২০২৬
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সদস্য মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির তারিখ পিছিয়ে আগামী ৫ জুলাই ধার্য করেছেন আদালত। 

সোমবার (১১ মে) সকালে ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজের আদালতে মামলাটিতে অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির জন্য ছিল। তবে এদিন আসামির পক্ষে ঢাকা বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ার জাহিদ ভূইয়া, অ্যাডভোকেট মো. বোরহান উদ্দিনসহ অনেকেই শুনানির তারিখ পেছানোর জন্য আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত আগামী ৫ জুলাই পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন। 

দুদকের পক্ষে আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দাখিল করা চার্জশিটে বলা হয়েছে—মতিউর রহমান তার সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। এছাড়া সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।

২০২৪ সালে ‎কোরবানির জন্য ১৫ লাখ টাকা দিয়ে একটি ছাগল কিনতে গিয়ে আলোচনায় আসেন মুশফিকুর রহমান ইফাত নামের এক যুবক। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। বলা হয়, তার বাবা এনবিআর সদস্য এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমান।

‎এরপর আলোচনা চলে মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের কোথায় কী পরিমাণ সম্পদ রয়েছে এসব নিয়ে। এসব আলোচনার মধ্যে একের পর এক বেরিয়ে আসতে থাকে মতিউর পরিবারের বিপুল বিত্তবৈভবের চাঞ্চল্যকর তথ্য। ‎পরে ওই বছরের ৪ জুন মতিউর ও তার পরিবারের সদস্যদের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের অনুসন্ধানের নামে দুদক। অনুসন্ধানে মতিউর ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ৬৫ বিঘা জমি, আটটি ফ্ল্যাট, দুটি রিসোর্ট ও পিকনিক স্পট এবং তিনটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের তথ্য পায় দুদক। মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ব্যাংক হিসাব, মোবাইল ফোনে আর্থিক সেবার হিসাব ও শেয়ারবাজারের বিও হিসাব ক্রোক করা হয়।

ইউটি/টিএ

মন্তব্য করুন