© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

জ্বালানি বাঁচাতে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোমের’ আহ্বান মোদির

শেয়ার করুন:
জ্বালানি বাঁচাতে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোমের’ আহ্বান মোদির

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:১৭ পিএম | ১১ মে, ২০২৬
ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকটে পড়ে গেছে অনেক দেশই। এই সংকট মোকাবেলায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের কর্মীদের ঘরে বসে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। এই আহ্বান ভারতের কর্পোরেট জগতে বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সবাই এখন ভাবছেন, এটি কতটুকু সম্ভব এবং দেশ কি আবার কোভিড-কালীন কর্মপদ্ধতিতে ফিরে যেতে পারবে।

তেলেঙ্গানায় প্রায় ৯ হাজার ৪০০ কোটি রুপির প্রকল্প উদ্বোধন করতে গিয়ে সেকান্দরাবাদে মোদি বলেন, ‘আমাদের আবার ওয়ার্ক ফ্রম হোম, অনলাইন কনফারেন্স ও ভার্চুয়াল মিটিংকে প্রাধান্য দিতে হবে।’ 

তিনি সরাসরি যাতায়াত কমানোর সঙ্গে জ্বালানি সাশ্রয় ও আমদানি নির্ভরতা কমানোর সম্পর্ক তুলে ধরেন। মোদি আরও বলেন, ‘এই বৈশ্বিক সংকটের সময় দায়িত্বকে সর্বোচ্চ রেখে আমাদের সংকল্প নিতে হবে। সবচেয়ে বড় সংকল্প হলো পেট্রল ও ডিজেল সাশ্রয় করে চলা।’

মেট্রো ও গণপরিবহন ব্যবহার এবং প্রয়োজনে কার পুলিংয়েরও পরামর্শ দেন তিনি। অনেক কর্মী মনে করছেন, এখন ঘরে বসে কাজ করা সম্ভব। 

এইচআর অ্যানেক্সেইয়ের সিইও ও আইএনজি ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্টের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট যোগীশ আরোরা বলেন, ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম সময় ব্যবস্থাপনা উন্নত করে, দৈনিক চাপ কমায় এবং কর্মীদের চাঙ্গা রাখে। ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্র হবে বিশ্বাস ও নমনীয়তাকে কেন্দ্র করে।’

তবে সবাই এই ধারণার সঙ্গে একমত নন। টিমলিজ সার্ভিসেসের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট বালাসুব্রামানিয়ান বলেন, ‘নিয়োগকর্তারা আজ ওয়ার্ক ফ্রম হোমের প্রতি আরও উন্মুক্ত, তবে পরিবর্তনটি সূক্ষ্ম। প্রতিষ্ঠানগুলো সেখানেই রিমোট কাজ চালু করবে যেখানে তা ফলাফল আনে, সব জায়গায় নয়।’

ইনরিক্রুটারের প্রতিষ্ঠাতা অনিল আগারওয়াল সতর্ক করে বলেন, ‘প্রস্তুতি খাতভেদে অনেক আলাদা। টেক কোম্পানিগুলো দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে। ক্ষুদ্র ব্যবসা ও উৎপাদন খাত পারে না। রিমোট কাজের জন্য বিশ্বাস, প্রযুক্তি ও প্রক্রিয়া শৃঙ্খলা দরকার। অনেক নিয়োগকর্তার এখনও এই অবকাঠামো নেই।'



ইউটি/টিএ

মন্তব্য করুন