হঠাৎ দেখা, অতঃপর কুশল বিনিময়: প্রধানমন্ত্রীর পেছনে যখন লন্ডনের ড. মুজিব
ছবি: সংগৃহীত
১১:২৮ পিএম | ১২ মে, ২০২৬
হঠাৎ পেছন ফিরে প্রধানমন্ত্রী দেখলেন সাথে হাঁটছেন লন্ডনের ড. মুজিব। স্মিত হেসে জানতে চাইলেন, "কবে আসছেন? কেমন আছেন?" ড. মুজিবও বিনয়ের সাথে জবাব দিলেন। প্রধানমন্ত্রী শুধু তাঁর ব্যক্তিগত খোঁজই নিলেন না, বরং পরম মমতায় জানতে চাইলেন— "লন্ডনের সবাই কেমন আছে?"
ড. মুজিব দীর্ঘদিন লন্ডনে বিএনপির রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দীর্ঘ লন্ডন প্রবাসে যে কজন প্রবাসী রাজনীতিতে বেশ সক্রিয় ছিলেন, তাদের একজন ড. মুজিব। প্রবাসের মাঠে-ময়দানে, পত্রিকার পাতায় বা টকশোর টেবিলে জাতীয়তাবাদী রাজনীতি নিয়ে সক্রিয় ছিলেন ড. মুজিবুর রহমান। সেই বিলেতের পরিচিত মুখকে খোদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি সামনে দেখে প্রধানমন্ত্রীর এমন কুশল বিনিময়ের মুহূর্ত দেখা গেছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের এক কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সেখান থেকে হেঁটে অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে শিক্ষার্থীদের উন্মুক্ত মতবিনিময় সভায় যোগ দেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কর্মশালা শেষে প্রধানমন্ত্রী যখন অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামের দিকে হাঁটছিলেন, পাশে ছিল নিরাপত্তারক্ষী আর দলীয় নেতাকর্মীদের ভিড়। ঠিক সেই মুহূর্তে হঠাৎ পেছন ফিরে প্রধানমন্ত্রী দেখলেন এক পরিচিত মুখ—যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা ড. মুজিব। প্রটোকলের অভেদ্য দেয়াল ছাপিয়েও সেই মুহূর্তের আবহে ছিল সৌজন্য আর আন্তরিকতা; ছিল ফেলে আসা লন্ডন আর সেখানকার মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা। কুশল বিনিময় কালে ড. মুজিব তিনদিন আগে লন্ডন থেকে ঢাকায় এসেছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রীকে।
পরে বাংলাদেশ টাইমসকে ড. মুজিব জানান, তারেক রহমান একের পর এক চমক দিয়ে যাচ্ছেন। দেশের সাধারণ মানুষ, প্রবাসী ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রতি তিনি এক নিখাদ ভালোবাসার স্বাক্ষর রেখে যাচ্ছেন। দেশের মানুষও আশাবাদী হচ্ছে। আর এ কারণেই মানুষ প্রত্যাশায় বুক বাঁধছে এক নিরাপদ, বাসযোগ্য ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের।
ড. মুজিব আরও বলেন, "এত হাই প্রোফাইল কাজের ব্যস্ততার মাঝেও খুঁটে খুঁটে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের খবর যিনি নিতে পারেন, তাঁর নেতৃত্বেই আগামীর বাংলাদেশ হবে সত্যিকারের জনবান্ধব ও মানবিক।"
ইউটি/টিএ