বিলাসবহুল গাড়ি মামলায় নতুন বিপাকে দুলকার
ছবি: সংগৃহীত
১০:৩৬ পিএম | ১৬ মে, ২০২৬
দক্ষিণী তারকা দুলকার সালমানকে ঘিরে ফের শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। বিলাসবহুল গাড়ি চোরাচালান মামলায় আবারও শুল্ক দফতরের নজরে এলেন অভিনেতা। বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁর ব্যবহৃত আরও একটি দামি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করেছে শুল্ক কর্তৃপক্ষ। আর এই ঘটনার পর থেকেই সরগরম দক্ষিণী চলচ্চিত্র মহল।
শুল্ক দফতরের বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন নামখোর’-এর আওতায় সম্প্রতি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে একটি বিলাসবহুল ‘নিসান প্যাট্রোল’ গাড়ি। জানা গিয়েছে, গাড়িটি কালামাসেরির একটি গাড়ি সংস্থায় রাখা ছিল। শুধু তাই নয়, দুলকার সালমান অভিনীত সাম্প্রতিক জনপ্রিয় ছবি ‘লাকি ভাস্কর’-এর শুটিংয়েও এই গাড়ি ব্যবহার করা হয়েছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের।
তবে এই প্রথম নয়। এর আগেও একই অভিযানে দুলকারের আরও কয়েকটি বিলাসবহুল গাড়ি এবং স্পোর্টস কার বাজেয়াপ্ত করেছিল শুল্ক দফতর। ফলে অভিনেতার নাম ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে চর্চা।

তদন্তকারীদের দাবি, ভুয়ো নথিপত্র ব্যবহার করে ভুটান থেকে ভারতে আনা হচ্ছিল এই সব দামি গাড়ি। কর ফাঁকি দিতেই আন্তর্জাতিক দূতাবাসের নাম ব্যবহার করা হয়েছিল বলেও প্রাথমিকভাবে সন্দেহ শুল্ক আধিকারিকদের। এই আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যেই এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তবে গোটা ঘটনায় শুরু থেকেই নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করে আসছেন দুলকার সালমান। অভিনেতার বক্তব্য, তিনি সমস্ত নিয়ম মেনেই বৈধ কাগজপত্রের মাধ্যমে গাড়িগুলি কিনেছেন। আদালতেও তিনি জানিয়েছেন, ভারতীয় মালিকদের কাছ থেকেই নিয়ম মেনে গাড়িগুলি কেনা হয়েছে এবং সমস্ত লেনদেন ব্যাঙ্কের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।
এমনকী বাজেয়াপ্ত হওয়া একটি ‘ডিফেন্ডার’ গাড়ি প্রসঙ্গেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন দুলকার। তাঁর দাবি, সেই গাড়িটি আন্তর্জাতিক রেড ক্রস সংস্থার মাধ্যমে ভারতে আনা হয়েছিল, কোনও বেআইনি পথে নয়।
তবে একের পর এক গাড়ি বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনায় ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নানা মহলে। অনুরাগীদের একাংশ অভিনেতার পাশে দাঁড়ালেও, অন্যদিকে সামাজিক মাধ্যমে চলছে তুমুল সমালোচনা। এখন দেখার, তদন্তের শেষ পর্যন্ত এই মামলার মোড় কোন দিকে ঘোরে।
পিআর/টিকে