© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ইরানে স্থলবাহিনী পাঠানো নিয়ে ট্রাম্পের নতুন বার্তা

শেয়ার করুন:
ইরানে স্থলবাহিনী পাঠানো নিয়ে ট্রাম্পের নতুন বার্তা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:২৭ পিএম | ০৩ জুন, ২০২৬
ইরানে স্থলবাহিনী পাঠানো নিয়ে নতুন বার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান ইস্যুতে বর্তমানে ট্রাম্প কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে আছেন। এই পরিস্থিতে তেহরানে আবারও হামলা চালাবেন নাকি চলমান শান্তি চুক্তি এগিয়ে নেবেন, তা নিয়ে ট্রাম্পের এখন যত মাথাব্যাথা।

সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টের ‘পড ফোর্স ওয়ান’ পডকাস্টে দেওয়া একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এসব বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। এ সময় ট্রাম্প জানান, এই মুহূর্তে ইরানে কোনো স্থল সেনা বা গ্রাউন্ড ট্রুপস পাঠানোর প্রয়োজন নেই।

তবে ইরানের বিষয়ে তিনি বর্তমানে একটি কঠিন সিদ্ধান্তের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন উল্লেখ করে বলেন, তেহরানের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাবেন, নাকি একটি চূড়ান্ত সামরিক হামলা চালাবেন- তা নিয়ে ভাবছেন তিনি। একই সঙ্গে ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ‘অন্য পথটি (সামরিক হামলা) মোটেও ভালো হবে না।’

স্থলবাহিনী পাঠানোর সিদ্ধান্ত থেকে আপাতত সরে আসার পাশাপাশি নিজের অবস্থানের কথা জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বরং আলোচনার মাধ্যম বিষয়টির সমাধান করতে চাই।’

এখনই স্থলবাহিনী না পাঠানোর পেছনে যুক্তি দিয়ে ট্রাম্প দাবি করেন, ‘আমাদের এখনই ইরানে স্থল সেনা (বুটস অন দ্য গ্রাউন্ড) পাঠানোর প্রয়োজন নেই। আমরা ইতোমধ্যে বোমা মেরে তাদের সামরিক বাহিনীর একটা বড় অংশ ধ্বংস করে দিয়েছি। মাত্র তিন দিন পর, তাদের সামরিক বাহিনী কার্যত পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।’

এই সময় যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমের সমালোচনা করে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘অথচ আপনি যদি নিউইয়র্ক টাইমস পড়েন, তবে আপনার মনে হবে তারা (ইরান) বুঝি দুর্দান্ত করছে।’

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের মধ্য দিয়ে এ যুদ্ধ শুরু হয়। প্রথম হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতাসহ তেহরানের প্রায় শতাধিক শীর্ষ নেতা নিহত হন। এরপর ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করেও বেশ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তবে ইরানও পাল্টা হামলায় চালাতে দেরি করেনি। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাটি ও ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালায় ইরান। ধারণা করা হয় এ যুদ্ধে উভয় পক্ষেরই কম-বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এমআর/টিকে  

মন্তব্য করুন