© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

কথা বলতেও কষ্ট হয়, কেমন আছেন ইলিয়াস কাঞ্চন?

শেয়ার করুন:
কথা বলতেও কষ্ট হয়, কেমন আছেন ইলিয়াস কাঞ্চন?

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:০০ পিএম | ১০ জুন, ২০২৬
দেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ও ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ (নিসচা)-এর চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন বর্তমানে ব্রেন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছেন। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে চিকিৎসাধীন থাকা এই অভিনেতার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে নতুন তথ্য জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠজনেরা।

জানা গেছে, গত বছরের আগস্টে লন্ডনের একটি হাসপাতালে ইলিয়াস কাঞ্চনের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসকেরা টিউমারের একটি বড় অংশ অপসারণ করতে সক্ষম হলেও ঝুঁকির কারণে পুরো টিউমার অপসারণ করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে পরীক্ষায় তার ব্রেন ক্যানসার ধরা পড়ে।

অস্ত্রোপচারের পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা। প্রথম ধাপে কয়েক মাস কেমোথেরাপি নেওয়ার পর বর্তমানে তিনি ওরাল থেরাপির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। চিকিৎসার অংশ হিসেবে সপ্তাহে পাঁচ দিন করে ১২ সপ্তাহে প্রায় ৬০টি কেমোথেরাপি নিতে হয়েছে তাকে। এরপর প্রথম ধাপের ওরাল থেরাপি শেষ করে এখন দ্বিতীয় ধাপের চিকিৎসা চলছে।

নিসচার ভাইস চেয়ারম্যান লিটন এরশাদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, দীর্ঘ চিকিৎসার পরও ইলিয়াস কাঞ্চনের শারীরিক অবস্থায় এখনো আশানুরূপ উন্নতি দেখা যায়নি।

তার ভাষ্য, বর্তমানে অভিনেতার শারীরিক অবস্থা মোটামুটি আগের মতোই রয়েছে। চলমান থেরাপি আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এরপর চিকিৎসকেরা তার অবস্থা মূল্যায়ন করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।



চিকিৎসকদের মতে, ক্যানসার আক্রান্ত অংশটি এখনো একই স্থানে রয়েছে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, এটি শরীরের অন্য কোথাও ছড়িয়ে পড়েনি। চিকিৎসকেরা আশা করছেন, দ্বিতীয় ধাপের ওরাল থেরাপি শেষ হলে তার অবস্থার কিছুটা উন্নতি হতে পারে।

তবে প্রতিদিনের জীবনযাপন এখন আর আগের মতো সহজ নয়। ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, ইলিয়াস কাঞ্চন ধীরে ধীরে কথা বলতে পারলেও কথাবার্তায় জড়তা রয়েছে। অনেক সময় কয়েক মিনিট কথা বলার পরও তিনি একটি বাক্য সম্পূর্ণ করতে পারেন না। কথা বলতেও তাকে বেশ কষ্ট করতে হয়।

এ ছাড়া খাবার গ্রহণ মোটামুটি স্বাভাবিক থাকলেও আগের মতো নিয়ম মেনে খাওয়ার অভ্যাস নেই বলেও জানা গেছে।

বর্তমানে লন্ডনে মেয়ে ইমা ইসলামের বাসায় অবস্থান করছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। মেয়ে, জামাতা এবং নাতি-নাতনিদের সান্নিধ্যেই কাটছে তার অধিকাংশ সময়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানো, ছোটখাটো আড্ডা কিংবা বাইরে ঘুরতে যাওয়া-এসবই তাকে মানসিকভাবে শক্তি জোগাচ্ছে।

এসএ/টিএ

মন্তব্য করুন