খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ৫ হাজার টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব
ছবি: সংগৃহীত
০৪:৪২ পিএম | ১১ জুন, ২০২৬
প্রস্তাবিত বাজেটে খেতাবপ্রাপ্ত বীল মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ৫ হাজার টাকা বাড়ানো হয়েছে। তবে সাধারণ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী আগের মতোই ২০ হাজার টাকা থাকছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী এ প্রস্তাব দেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানী ২০ হাজার টাকা অপরিবর্তিত থাকবে। তবে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ৫ হাজার টাকা করে বাড়িয়ে বীরশ্রেষ্ঠদের ৪০ হাজার টাকা, বীর উত্তমদের ৩০ হাজার টাকা, বীর বিক্রমদের ২৫ হাজার টাকা এবং বীর প্রতীকদের ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারগুলোর মাসিক ২০ হাজার টাকা এবং আহতদের এ, বি ও সি ক্যাটাগরি অনুযায়ী যথাক্রমে ২০ হাজার, ১৫ হাজার ও ১০ হাজার টাকা মাসিক ভাতা অব্যাহত থাকবে।
‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।
বাজেটের এ ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক দুই উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার ধরা হয়েছে ৬৮ লাখ ৩০ হাজার ২৪ কোটি টাকা। এছাড়া আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি কমিয়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এসএন