© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

নৌপথ উন্নয়ন ও বন্দর আধুনিকায়নে জোর, নির্মাণ হবে বে-টার্মিনাল

শেয়ার করুন:
নৌপথ উন্নয়ন ও বন্দর আধুনিকায়নে জোর, নির্মাণ হবে বে-টার্মিনাল

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:১৫ পিএম | ১১ জুন, ২০২৬
ব্যয়-সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও দক্ষ পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নৌপরিবহন খাতের অবকাঠামো উন্নয়ন, বন্দর আধুনিকায়ন এবং অভ্যন্তরীণ নৌপথের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে সরকার।

আজ (বৃহস্পতিবার) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তব্যে এসব পরিকল্পনার কথা জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, নৌপরিবহন খাতের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং অভ্যন্তরীণ নৌপথের উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ড্রেজিং কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের দক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, নদীবন্দর ও লঞ্চঘাট আধুনিকায়নের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর বাস্তবায়নের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ট্রান্সশিপমেন্ট সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে নতুন যন্ত্রপাতি সংযোজন, জেটি ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং কার্গো হ্যান্ডলিং কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম বে-টার্মিনাল, পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল এবং লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলো সচল রাখতে ড্রেজিং ও খনন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি আধুনিক নৌবন্দর অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং সমন্বিত নৌপরিবহন ব্যবস্থা শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।

এই ঘাটতি পূরণে সরকার বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ, ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে।

প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার ধরা হয়েছে ৬৮ লাখ ৩০ হাজার ২৪ কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।

এটি দেশের ৫৫তম বাজেট এবং বর্তমান সরকারের মেয়াদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রথম বাজেট।

নিয়ম অনুযায়ী, সংসদে উপস্থাপনের আগে বাজেটটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয় এবং পরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এতে সম্মতি দেন।  

এমআর/টিএ  

মন্তব্য করুন