© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

বাংলাদেশ-জাপান সহযোগিতা জোরদারে ব্র্যাক ও জাপানি প্রতিষ্ঠানের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

শেয়ার করুন:
বাংলাদেশ-জাপান সহযোগিতা জোরদারে ব্র্যাক ও জাপানি প্রতিষ্ঠানের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:৫৫ পিএম | ১১ জুন, ২০২৬
মানবসম্পদ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে নতুন সহযোগিতার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে ১১ জুন ব্র্যাক সড়ক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং জাপানের জেনারেল ইনকরপোরেটেড অ্যাসোসিয়েশন কোদোমো মিউজিয়াম প্রজেক্টের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

ঢাকায় ব্র্যাকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ব্র্যাক সড়ক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিচালক আহমেদ নাজমুল হুসেইন এবং কোদোমো মিউজিয়াম প্রজেক্টের পরিচালক গতো মাসায়ো নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তির আওতায় দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে দক্ষতা উন্নয়ন, জাপানি ভাষা শিক্ষা, পেশাগত ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ, জাপানে চালক নিয়োগ এবং তরুণদের জন্য সাংস্কৃতিক বিনিময়মূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে জাপানে দক্ষ ও অর্ধদক্ষ কর্মীর চাহিদা বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি যুবক-যুবতী ও আগ্রহী পেশাজীবীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। অংশীদারিত্বের মাধ্যমে তারা ভাষা প্রশিক্ষণ, ড্রাইভিং শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি এবং ক্যারিয়ার সহায়তা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

এছাড়া দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি এবং আন্তঃসাংস্কৃতিক সম্পর্ক উন্নয়নে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক বিনিময় কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে জানানো হয়।

ব্র্যাক ও কোদোমো মিউজিয়াম প্রজেক্ট আশা করছে, দীর্ঘমেয়াদি এই সহযোগিতা নিরাপদ যাতায়াত, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জাপানে কর্মসংস্থানপ্রত্যাশী বাংলাদেশি তরুণদের জন্য টেকসই সুযোগ তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইচিওকা কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক শিমোমুরা তাকেশি, এমকেপি ডিজাইনার্স কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিনকিউন পার্ক, নির্বাহী পরিচালক জিসু পার্ক, টোমোনি কোম্পানি লিমিটেডের কর্মকর্তা সুগানো মাসায়ুকি এবং ব্র্যাক সড়ক নিরাপত্তা কর্মসূচির কর্মকর্তারা।

অতিথিরা আশা প্রকাশ করেন, এই অংশীদারিত্ব বাংলাদেশ ও জাপানের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

টিকে/

মন্তব্য করুন