© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

জ্যাকলিনের মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

শেয়ার করুন:
জ্যাকলিনের মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:১২ পিএম | ১২ জুন, ২০২৬
২০০ কোটি রুপির অর্থ পাচার (মানি লন্ডারিং) মামলায় বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের নিম্ন আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে করা আবেদনের শুনানি থেকে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র। 

এদিন বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি অতুল এস চন্দুরকরের সমন্বয়ে গঠিত একটি আংশিক কার্যদিবসের বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য উঠেছিল। শুনানির শুরুতেই বেঞ্চের পক্ষ থেকে অভিনেত্রীর আইনজীবী এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে (ইডি) জানানো হয় যে, বিষয়টি অন্য একটি বেঞ্চে পাঠানো হবে।

বিচারপতি মিশ্র এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এখানে কিছুটা সমস্যা রয়েছে। এই মামলার সঙ্গে যুক্ত অন্য একটি বিষয়ে আমার ছেলে সরকারের পক্ষে উপস্থিত হয়েছিল। তাই আগামী ২৫ জুন এমন একটি বেঞ্চের সামনে এটি তালিকাভুক্ত করা হোক, যেখানে আমরা দুজনের কেউ সদস্য নই।’ 

গত ৩০ মে দিল্লির একটি আদালত ২০০ কোটির এই অর্থ পাচার মামলায় জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ, মূল অভিযুক্ত সুকেশ চন্দ্রশেখর এবং আরও ১৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল। 



এছাড়া দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের দায়ের করা অন্য একটি মামলায় সুকেশ চন্দ্রশেখর এবং আরও ২০ জনের বিরুদ্ধে কঠোর মকোকা আইনসহ বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ গঠনের নির্দেশ দেয় ট্রায়াল কোর্ট। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই জ্যাকলিন সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। 

এর আগে জ্যাকলিনকে একাধিকবার তলব করার পর, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি তাদের দ্বিতীয় অতিরিক্ত চার্জশিটে প্রথমবারের মতো অভিনেত্রীকে অভিযুক্ত হিসেবে নামভুক্ত করে। 

ইডির দাবি, জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ প্রতিনিয়ত সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন এবং সুকেশের সহযোগী পিংকি ইরানির মাধ্যমে জ্যাকলিন তার কাছ থেকে বহু মূল্যবান উপহার গ্রহণ করেছেন। 

কীভাবে চলত এই অপরাধ চক্র?

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, সুকেশ চন্দ্রশেখর জেলখানার ভেতর থেকেই একটি সুসংগঠিত অপরাধ চক্র পরিচালনা করছিল। সে নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং আইন ও বিচার মন্ত্রকের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিত। 

ভুয়া ফোন কল, এনক্রিপ্টেড অ্যাপ্লিকেশন এবং জাল পরিচয়ের মাধ্যমে মূল অভিযোগকারী অদিতি সিং ও তার পরিবারের সদস্যদের বিভ্রান্ত করে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছিল বলে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে। 


এসএ/এসএন

মন্তব্য করুন