© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

কুমিল্লায় ইসলামী ব্যাংক থেকে গ্রাহকের ১৯ লাখ টাকা উধাও!

শেয়ার করুন:
কুমিল্লায় ইসলামী ব্যাংক থেকে গ্রাহকের ১৯ লাখ টাকা উধাও!

ছবি: সংগৃহীত

মোবাইল জার্নালিস্ট, কুমিল্লা
০৮:৩৭ পিএম | ১৪ জুন, ২০২৬
ইসলামী ব্যাংক পিএলসি কুমিল্লা শাখায় মো. হাসান মজুমদার (৪৬) নামে এক গ্রাহকের একাউন্ট থেকে ১৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা উধাও হয়ে গিয়েছে। এ ঘটনায় গ্রহক নিজেই বাদি হয়ে ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।    
 
গতকাল রবিবার (১৪ জুন) দুপুর আড়াইটায় কুমিল্লার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১নং আমলী আদালতের বিচারক মোমিনুল হকের আদালতে হাজির হয়ে তিনি মামলাটি দায়ের করেন। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাকে সরাসরি এফআইআরের জন্য নির্দেশ নিয়েছেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ মনির হোসেন পাটোয়ারী সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন, রাজধানীর মিরপুর- ১ এর ১৮৪ আহমেদ নগর, পাইকপাড়ার শাহ ট্রেডার্সের স্বত্তাধিকারী ও বরিশাল ধামুড়া বাজার এলাকার মো. সোহেল সহ মোট ৬ জন।

আদালত সূত্র জানায়, গত ১ জুন থেকে ৪ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে একটি চক্র মো. হাসান মজুমদারের একাউন্ট হইতে সর্বমোট ১৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা ট্রান্সফার করে অন্য ব্যাংকের একাউন্টে নিয়ে যান। এতে ব্যাংকের পক্ষ থেকে কোন প্রকার ফোনকল ও মেসেজের মাধ্যমে গ্রাহককে অবগত করা হয়নি। 

গত ৭ জুন দুপুরে তিনি ইসলামী ব্যাংক কুমিল্লা শাখায় টাকা উত্তোলনের জন্য গিয়ে জানতে পারেন তার একাউন্ট নম্বর ২০৫০১২....২০০ থেকে ১৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা উধাও হয়ে গিয়েছে। পরবর্তীতে অনুসন্ধান করে দেখা যায় এনআরবিসি ব্যাংকের গ্রহাক রাজধানীর মিরপুর-১ এর শাহ ট্রেডার্সের স্বত্তাধিকারীর একাউন্ট, পুবালী ব্যাংকের বরিশাল ধামুড়া বাজার উপশাখার গ্রাহক মো. সোহেলের একাউন্ট এবং একাধিক বিকাশ ও নগদ নাম্বারে ট্রান্সফার করা হয়। 

এ ঘটনায় হাসান মজুমদার বাদি হয়ে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১নং আমলী আদালতে হাজির হয়ে ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

ভুক্তভোগী হাসান মজুমদার টাকা উদ্ধারের বিষয়ে ইসলামী ব্যাংক ও আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সহযোগিতা করামনা করেছেন।  

এ বিষয়ে ইসলামী ব্যাংক কুমিল্লা শাখার ম্যানেজার মোহাম্মদ হোসাইন আখতার বলেন, ‘গ্রহকের একাউন্ট থেকে টাকা তোলতে গেলে অবশ্যই তার ফোন মেসেজ বা নোটিফিকেশন যাবে। আমার শাখায় এ ধরণে কোন ঘটনা ঘটেছে বলে আমার জানা নেই। কোর্টে মামলা হয়েছে কিনা সেই তথ্যও আমাদের কাছে নেই। আদালত আমাদের কাছে চাইলে সহযোগিতা করবো।’

বাদী পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ মনির হোসেন পাটোয়ারী বলেন, ‘হাসান মজুমদারের একাউন্ট থেকে টাকা উধাও হওয়ার ঘটনায় কুমিল্লার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১নং আমলী আদালতে আমরা মামলা দায়ের করেছি। বিচারক মোমিনুল হক মামলাটি আমলে নিয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশকে মামলাটি সরাসরি এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করার জন্য নির্দেশ নিয়েছেন।’

এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ভাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন,‘ আদালতের নির্দেশনার কাগজপত্র আমরা এখনো হাতে পাইনি। নথি পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এসএন 

মন্তব্য করুন