স্পেনকে রুখে দেওয়া ভোজিনহার এক রাতেই ফলোয়ার ৫৭ লাখ!
ছবি: সংগৃহীত
১২:৪৯ পিএম | ১৬ জুন, ২০২৬
বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথম ম্যাচ, বয়স ৪০। তবু অভিজ্ঞতার ঝুলি আর দুর্দান্ত গোলকিপিংয়ে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়ে রাতারাতি আলোচনায় উঠে এসেছেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক জোসিমার দিয়াস, যিনি ফুটবল দুনিয়ায় পরিচিত ‘ভোজিনহা’ নামে।
ম্যাচজুড়ে স্পেন একের পর এক আক্রমণ চালিয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই তাদের সামনে প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছেন কেপ ভার্দের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক। কখনও মিকেল ওইয়ারসাবাল, কখনও ফেরান তোরেস, আবার কখনও আইমেরিক লাপোর্তে। তাদের সবাইকে হতাশ করেছেন তিনি।
তবে স্পেনের বিপক্ষে তার পারফরম্যান্স ছিল সব কিছুর ওপরে। ম্যাচে সাতটি সেভ করে ম্যান অব দ্য ম্যাচও হন তিনি। ম্যাচে ধারাভাষ্য দিচ্ছিলেন ব্রাজিলের জনপ্রিয় স্পোর্টস স্ট্রিমার ক্যাসিমিরো মিগেল। কেপ ভার্দের এই গোলকিপারের বীরত্ব দেখে মুগ্ধ হয়ে ক্যাসিমিরো তার লাইভ স্ট্রিমিংয়ে দর্শকদের অনুরোধ করেন ভোজিনহার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ফলো করার জন্য।
তখন মাত্র ৫০ হাজার ফলোয়ার ছিলেন তার অ্যাকাউন্টে। মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই তার অ্যাকাউন্টে যোগ হয় ৩ লাখেরও বেশি নতুন ফলোয়ার। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর সেই স্রোত রূপ নেয় সুনামিতে। রাতারাতি তা ১১ লাখ পার করে বর্তমানে ৫৭ লাখে গিয়ে পৌঁছেছে। কেপ ভার্দের মতো একটি ছোট ফুটবল খেলুড়ে দেশের খেলোয়াড়ের জন্য যা স্রেফ অবিশ্বাস্য।
৪০ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষকের আসল নাম জোসিমার হোসে এভোরা দিয়াস। তবে ফুটবল বিশ্বে তিনি ‘ভোজিনহা’ নামেই সমধিক পরিচিত। এই ডাকনামের পেছনে জড়িয়ে আছে তার শৈশবের এক মিষ্টি গল্প। সাও ভিসেন্তে দ্বীপে নিজের দাদা-দাদির কাছে আদরে বড় হয়েছিলেন তিনি। পর্তুগিজ ভাষায় ‘ভোজিনহা’ শব্দের অর্থ দাদা-দাদির আদরের নাতি। সেই আদরের নাতিই এখন পর্তুগিজ দ্বিতীয় বিভাগের দল চাভেসের গোলপোস্ট সামলান। এর আগে গিল ভিসেন্তে ও এএল লিমাসোলের হয়েও খেলেছেন তিনি।
এমআই/টিকে