বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টি–টোয়েন্টি সিরিজহার দিয়ে শুরু করল বাংলাদেশ
ছবি: সংগৃহীত
০৫:২৭ পিএম | ১৭ জুন, ২০২৬
জাদুকরি কিছু না হলে বাংলাদেশ যে হারবে, তা লেখা হয়ে গিয়েছিল প্রথম ইনিংস শেষেই। ১৩১ রান করেও টাইগারদের যে ম্যাচে দীর্ঘক্ষণ টিকে থাকা, সেটা শুধুই বোলারদের কল্যাণে। ৬ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়া যখন ছোট লক্ষ্য তাড়া শেষ করলো, তখন হাতে ছিল কেবল ১০ বল।
অস্ট্রেলিয়া জিতেছে ৪ উইকেটে। শরিফুল ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমানদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে কুপার কনোলি ছাড়া কেউ আরাম করে দাঁড়াতে পারেননি। কনোলি ২৭ বলে করেন ৪৭ রান। বাকিদের কারো স্কোর বিশ পেরিয়ে ২১ হয়নি।
জশ ইংলিসকে ফিরিয়ে শরিফুল ইসলাম শুরু করেছিলেন। মিচেল মার্শকে গালিতে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন মোস্তাফিজুর রহমান। স্লো পিচ হলেও কনোলি মেরেই খেলছিলেন। ৪ চার ও ৩ ছয়ে হাফসেঞ্চুরি থেকে ৩ রান দূরে থাকতে আবদুল গাফ্ফারের শিকার হন তিনি।
শেখ মেহেদীর ওভারে সীমানার কাছে টিম ডেভিড ক্যাচ দেন তানজিদ হাসান তামিমকে। তাতে ১১.৩ ওভারে ৪ উইকেটে অস্ট্রেলিয়ার রান দাঁড়ায় ৮৯। যদিও রানের তুলনায় বল বেশি থাকায় অস্ট্রেলিয়া কখনওই চ্যালেঞ্জে পড়েনি। দুই নবাগত নিখিল চৌধুরীর ১৩ বলে ১৮, জোয়েল ডেভিসের ৭ ও জাভিয়ের বার্টলেটের ৪ রানে অজিরা জয় পায়।
১৯ ওভারে বাংলাদেশ ১৩১ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল নবাগত জোয়েল ডেভিস ও অ্যাডাম জাম্পার ঘূর্ণির সামনে। যদিও সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিমের ব্যাটে শুরুটা ভালোই হয়েছিল। এরপর একে একে ব্যাটাররা নামলেন আর তেড়েফুঁড়ে ছক্কা মারতে গিয়ে উইকেট উপহার দিয়ে এলেন।
শেষদিকে শেখ মেহেদী ২২ বলে ইনিংস সর্বোচ্চ ২৯ রান না করলে তো বড় লজ্জার মুখেই পড়তে হতো টাইগারদের। জাম্পা ও ডেভিস ৩টি করে উইকেট শিকার করেন। রেনশ শিকার করেন ২ উইকেট। এছাড়া ১টি করে উইকেট গেছে জনসন ও নিখিল চৌধুরীর ঝুলিতে।
টিজে/টিকে