সংসদে প্রধানমন্ত্রীহজের খরচ আরও কমাতে কাজ করছে সরকার
ছবি: সংগৃহীত
০৯:২০ পিএম | ১৭ জুন, ২০২৬
হজের ব্যয় কমিয়ে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনতে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানিয়েছেন, হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও সাশ্রয়ী ও জনবান্ধব করতে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক পর্যায়ে বিভিন্ন উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ আরও যৌক্তিক ও সাশ্রয়ী করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।
বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য সালাহ উদ্দিনের টেবিলে উত্থাপিত এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের সভাপতিত্বে অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, হজ একটি দ্বি-রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা হওয়ায় মোট ব্যয়ের প্রায় ৭৫ শতাংশ সৌদি আরব সরকার নির্ধারণ করে থাকে। এর মধ্যে মিনা ও আরাফাতের তাবু ভাড়া, পরিবহন ব্যয়, মোয়াল্লেম সার্ভিস চার্জ, মক্কা-মদিনার আবাসন ব্যয় এবং ভিসা ও ইন্স্যুরেন্স ফি অন্তর্ভুক্ত। বাকি প্রায় ২৫ শতাংশ ব্যয় বাংলাদেশ অংশে হয়, যার বড় অংশই বিমান ভাড়া।
তিনি জানান, ২০২৫ সালে সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজের মূল্য ছিল ৪ লাখ ৭৮ হাজার ২৪২ টাকা। সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে ২০২৬ সালে এই ব্যয় ১১ হাজার ৭৫ টাকা কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। ফলে চলতি বছরের সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৬৭ হাজার ১৬৭ টাকা, যা কুরবানির খরচসহ।
প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হজ প্যাকেজে সৌদি আরব অংশের ব্যয় ৩ লাখ ৭৯৭ টাকা এবং বাংলাদেশ অংশের ব্যয় ১ লাখ ৬৬ হাজার ৩৬৯ টাকা। এর মধ্যে শুধু বিমান ভাড়াই ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৩০ টাকা।
সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধর্মপ্রাণ নাগরিকদের জন্য সহজলভ্য, মানবিক, সাশ্রয়ী ও প্রবাসীবান্ধব হজ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার অঙ্গীকার রয়েছে সরকারের। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং সৌদি আরবের নির্ধারিত ব্যয় বিবেচনায় রেখে ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ আরও কমানোর বা যৌক্তিক পর্যায়ে রাখার লক্ষ্যে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
টিজে/টিকে