© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

আম্মারের বিরুদ্ধে হল সংসদের জিএসকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ

শেয়ার করুন:
আম্মারের বিরুদ্ধে হল সংসদের জিএসকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:০৮ পিএম | ১৮ জুন, ২০২৬
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ প্রদর্শনী চলাকালে নবাব আব্দুল লতিফ হল ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মো. নুরুল ইসলাম শহীদকে কলার ধরে টানাটানি এবং নির্ধারিত স্থান থেকে জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) সকালে হবিবুর রহমান হল মাঠে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ছাত্রনেতা।

তবে অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন আম্মার।

বুধবার রাত ১০টার দিকে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ অভিযোগ করেন নবাব আব্দুল লতিফ হল ছাত্র সংসদের জিএস নুরুল ইসলাম শহীদ। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ উপলক্ষে তিনি তার হলের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে নিয়ে হবিবুর রহমান হল মাঠে খেলা দেখতে যান। খেলার প্রায় ৩০ মিনিটের সময় রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ এবং হবিবুর রহমান হল ছাত্র সংসদের জিএস আশিক শিকদার তাকে তাদের পাশে বসে খেলা দেখার জন্য ডাকেন।

পরে তিনি এলইডি স্ক্রিনের পাশে সুতা দিয়ে ঘেরা নির্ধারিত স্থানে গিয়ে ভিপির পাশে বসেন।

তিনি দাবি করেন, সেখানে বসার প্রায় এক মিনিট পর রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মার ও সহ-ক্রীড়া সম্পাদক আবু সাঈদ সামি এসে তাকে ওই স্থান থেকে সরে যেতে বলেন। কারণ জানতে চাইলে আম্মার তার গেঞ্জির কলার ধরে টানাটানি করেন এবং সেখানে কাউকে অবস্থান করতে দেওয়া হবে না বলে জানান। একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক দড়ির ভেতরের নির্ধারিত স্থান থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘দায়িত্ব নিয়ে বলছি, আমি তার গায়ে স্পর্শও করিনি। তার টি-শার্টেও হাত দিইনি। তিনি আমার প্রতি যে ভাষা ব্যবহার করেছেন, তার জবাবও আমি দিইনি। অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থেই তাকে স্থান পরিবর্তনের অনুরোধ করা হয়েছিল।’

তিনি আরো বলেন, ‘রাকসুর আয়োজনে খেলা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে সবাইকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মাঠের বাম পাশে ছাত্রীদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ফলে স্ক্রিনের সামনে কেউ অবস্থান করলে তাদের খেলা দেখতে সমস্যা হচ্ছিল। দায়িত্বের অংশ হিসেবে আমি ওই এলাকায় অবস্থান করছিলাম এবং কাউকে সেখানে দাঁড়াতে দিচ্ছিলাম না। শহীদ সেখানে আসার পর পেছনে বসা শিক্ষার্থীরা খেলা দেখতে পারছিল না। তাই আমি তাকে স্ক্রিনের ডান পাশে গিয়ে বসার অনুরোধ করি। কিন্তু তিনি সেখান থেকে বের হয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে চলে যান।’

রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, ‘দড়ির ভেতরে বসাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। তবে এর আগে কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে আমি অবগত নই। খেলা চলাকালীন তাদের তর্ক-বিতর্কে পরিবেশ ও শৃঙ্খলা ব্যাহত হচ্ছিল। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি থামিয়ে দিই। তবে বিরোধের মূল কারণ সম্পর্কে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।’

এসএন 

মন্তব্য করুন