জামালপুরে এমপির গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ
ছবি: সংগৃহীত
১০:৩১ পিএম | ১০ জুলাই, ২০২৬
জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সুলতান মাহমুদ বাবুর ব্যক্তিগত গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নবাবের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আনা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যায় ইসলামপুর জেলা পরিষদ ডাক বাংলোতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় বিএনপির দুইপক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে রাত আটটার দিকে এমপিকে উদ্ধার করে তার গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নবাব শুরু থেকেই সুলতান মাহমুদ বাবুর বাইরে একটি দলীয় বলয় সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। আজ শুক্রবার বিকেলে সুলতান মাহমুদ বাবু উপজেলার মলমগঞ্জে একটি কলেজের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। এসময় ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক হাসমত এবং পৌর বিএনপির নেতা হাসানকে স্টেজ থেকে নেমে যেতে নির্দেশ দেন সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নবাব।
এসময় সেখানে তাদের মধ্যে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়। এরপর সন্ধ্যায় ইসলামপুর ডাক বাংলোতে পরিচিত হতে নতুন যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ডেকে পাঠান এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু।
এই ফাঁকে এমপির ব্যক্তিগত গাড়িতে হামলা করে ভাঙচুর করেন নুরুল ইসলাম নবাবের একদল কর্মী সমর্থক। এ ঘটনা দেখার সঙ্গে সঙ্গে এমপির কর্মী সমর্থকরা সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নবাবের গাড়িও ভাঙচুর করেন। এরপর দুই পক্ষই দেশীয় অস্ত্র এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান নিলে শহরে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে রাত ৮টার দিকে ইসলামপুর থানা পুলিশ এমপিকে উদ্ধার করে আরেকটি গাড়িতে করে তার গ্রামের বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।
এ বিষয়ে এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু বলেন, নতুন ইউএনওর সঙ্গে কথা বলার সময় একদল দুষ্কৃতকারী আমার গাড়িটি ভাঙচুর করেছে। দ্রুত এদেরকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নবাব বলেন, এখানে কোনো গ্রুপ নেই। বাবু গ্রুপিং করবে কাকে নিয়ে? তার কোনো নেতাকর্মী আছে? হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য আমি ওসিকে বলেছি।
এ বিষয়ে ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, এখানে অনাকাঙ্ক্ষিত একটি ঘটনা ঘটেছে। আমি ব্যস্ত আছি, এ বিষয়ে পরে কথা বলি। পরে আবার তাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তার সাথে আর যোগাযোগ করা যায়নি।
এমআর/টিকে