© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

২০৩০ সালের মধ্যে অন্তত ৩০ শতাংশ যানবাহন হবে ইলেকট্রিক: সেতুমন্ত্রী

শেয়ার করুন:
২০৩০ সালের মধ্যে অন্তত ৩০ শতাংশ যানবাহন হবে ইলেকট্রিক: সেতুমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:০৫ এএম | ১৪ জুলাই, ২০২৬
সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের সড়ক পরিবহন খাতে ব্যবহৃত যানবাহনের অন্তত ৩০ শতাংশকে ইলেকট্রিক মোটরযানে (ইভি) রূপান্তরের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন-৩৩-এর সরকারি দলের সদস্য শওকত আরা আক্তারের জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

তিনি বলেন, কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এ লক্ষ্যে বিভিন্ন নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, যানবাহন থেকে নির্গত গ্রিনহাউস গ্যাস, বিশেষ করে কার্বন ডাই-অক্সাইড, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের অন্যতম কারণ। তাই জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর যানবাহনের পরিবর্তে বিশ্বজুড়ে ইলেকট্রিক যানবাহনের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (এনডিসি) অনুযায়ী বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে পরিবহন খাত থেকে নিঃশর্তভাবে ৩ দশমিক ৪ মিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমানোর অঙ্গীকার করেছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে দেশের সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় ব্যবহৃত যানবাহনের অন্তত ৩০ শতাংশকে ইলেকট্রিক মোটরযানে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শেখ রবিউল আলম বলেন, এ লক্ষ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ইলেকট্রিক মোটরযানের নিবন্ধন ও চলাচলসংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। পাশাপাশি জ্বালানি তেলের ব্যবহার ও পরিবেশ দূষণ কমাতে সম্পূর্ণ নতুন ইলেকট্রিক বাস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য শুল্কমুক্ত এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ শুল্কে আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

সংসদে আলোচনায় উত্থাপিত বিভিন্ন দাবির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের সময় অনেক সংসদ সদস্য সেতুর টোল মওকুফের প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকেন। তবে টোল আদায় একটি রাজস্বসংক্রান্ত বিষয়, যা অর্থ বিভাগের আওতাভুক্ত। তাই যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এককভাবে কোনো সেতুর টোল প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।

তিনি বলেন, ছোট সেতুর ক্ষেত্রে টোলে ছাড় দেওয়ার বিষয়টি অর্থ বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে নীতিগত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে কোনো সংসদ সদস্যের সুপারিশ বা অনুরোধের ভিত্তিতে টোল আদায় বন্ধ করার সুযোগ খুবই সীমিত।

রেলস্টেশনের দাবির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন এলাকায় আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ বাড়ানোর দাবি থাকলেও এ বিষয়ে নির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। সব স্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেন থামানো হলে এর বৈশিষ্ট্য নষ্ট হবে এবং দ্রুত যাতায়াতের উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে।


এমআই/এসএন  

মন্তব্য করুন