© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

জনআস্থা অর্জনই আধুনিক পুলিশিংয়ের প্রকৃত সফলতা : আইজিপি

শেয়ার করুন:
জনআস্থা অর্জনই আধুনিক পুলিশিংয়ের প্রকৃত সফলতা : আইজিপি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:১১ পিএম | ১৮ জুলাই, ২০২৬
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, আধুনিক পুলিশিংয়ের সফলতা শুধু অপরাধ দমন বা অপরাধী গ্রেপ্তারের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা যায় না। বরং জনগণের আস্থা অর্জন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার সুরক্ষা, পেশাগত সততা, জবাবদিহিতা এবং নাগরিকদের মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করাই প্রকৃত সফলতা।

শনিবার (১৮ জুলাই) পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশে মাস্টার অব অ্যাপ্লায়েড ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ ম্যানেজমেন্ট (এমএসিপিএম) মাস্টার্স প্রোগ্রামের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ১০ম ব্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক বাস্তবতায় পুলিশিংকেও সময়োপযোগী ও আধুনিক হতে হবে। সাইবার অপরাধ, সংগঠিত অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, আর্থিক ও পরিবেশগত অপরাধ, ভুয়া তথ্যের বিস্তার এবং উদীয়মান প্রযুক্তির অপব্যবহারের মতো জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক জ্ঞান, নতুন চিন্তাধারা ও পেশাগত দক্ষতার বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, আধুনিক পুলিশ নেতাদের কৌশলগত চিন্তাশীল, দক্ষ ব্যবস্থাপক, নৈতিক নেতৃত্বসম্পন্ন এবং আজীবন শিক্ষার্থী হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। পাশাপাশি গবেষণা, তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ ও উদ্ভাবনী চিন্তার মাধ্যমে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বাস্তবমুখী সমাধান উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের রেক্টর কাজী মো. ফজলুল করিম। স্বাগত বক্তব্য দেন কলেজটির পরিচালক (অ্যাকাডেমিক) সরকার ওমর ফারুক।

সভাপতির বক্তব্যে রেক্টর কাজী মো. ফজলুল করিম আইজিপির উপস্থিতি ও দিকনির্দেশনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে এমএসিএপিএম প্রোগ্রামের ১০ম ব্যাচের সফলতা কামনা করে পুলিশ স্টাফ কলেজকে পুলিশ শিক্ষা, গবেষণা ও পেশাগত নেতৃত্বের উৎকর্ষের কেন্দ্র হিসেবে আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

পুলিশ স্টাফ কলেজ জানায়, মাস্টার অব অ্যাপ্লায়েড ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ ম্যানেজমেন্ট (এমএসিপিএম) এক বছর মেয়াদি এবং দুই সেমিস্টারবিশিষ্ট মাস্টার্স প্রোগ্রাম। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ১০ম ব্যাচে মোট ৫০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ পুলিশ, সশস্ত্র বাহিনী, চিকিৎসক, বিচার বিভাগ, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিভিন্ন পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা রয়েছেন। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও পেশাগত নেতৃত্ব বিকাশের ধারাবাহিকতায় নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা হলো।

আরআই/টিকে

মন্তব্য করুন