© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

সালমানের প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দেনা নিয়েই থেকে যান রাজেশ খান্না

শেয়ার করুন:
সালমানের প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দেনা নিয়েই থেকে যান রাজেশ খান্না

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:০৪ পিএম | ২৫ জুলাই, ২০২৬
হিন্দি সিনেমার প্রথম ‘সুপারস্টার’ বলা হয় রাজেশ খান্নাকে। ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময়ে অভিনয় জীবন শুরু করে সত্তরের দশক জুড়ে তুমুল জনপ্রিয়তা উপভোগ করেছেন তিনি।

তবে জনপ্রিয়তার চূড়ায় থাকাকালেই জড়িয়ে পড়েন নানা সংকটে, যার কেন্দ্রে ছিল মুম্বাইয়ের কার্টার রোডের বিখ্যাত বাংলো ‘আশীর্বাদ’।

৫০-এর দশকে এই বাংলোটির মালিক ছিলেন অভিনেতা ভরত ভূষণ, পরে তা কিনেন রাজেন্দ্র কুমার এবং নিজের মেয়ের নামে নাম রাখেন ‘ডিম্পল’। সত্তরের দশকে রাজেন্দ্রর কাছ থেকে ৬৫ হাজার টাকায় এটি কিনে নেন রাজেশ খান্না। শর্ত অনুযায়ী রাজেন্দ্রর কথাতেই তিনি এর নাম পাল্টে রাখেন ‘আশীর্বাদ’।

একসময় এই বাংলোর সামনে উপচে পড়ত হাজার হাজার অনুরাগীর ভিড়।  তবে সত্তরের দশকের শেষভাগে অমিতাভ বচ্চনের উত্থান এবং অ্যাংরি ইয়াং ম্যান ইমেজের জনপ্রিয়তার কারণে রাজেশের ছবি একের পর এক বক্স অফিসে ব্যর্থ হতে শুরু করে। ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়েন এই অভিনেতা। এমনকি তার সঙ্গে কাজ করতেও অনীহা দেখান পরিচালকরা।



একপর্যায়ে পরিবার থেকে আলাদা হয়ে একাকী বাংলোয় না থেকে লিঙ্কিং রোডের অফিসে সময় কাটাতে থাকেন তিনি। এমন জটিল পরিস্থিতিতে বাংলোটির ওপর প্রায় দেড় কোটি টাকার কর বাকি পড়ে যায়।

ঠিক এই সময়ে রাজেশের সহায়তায় এগিয়ে আসতে চান সালমান খান। চিত্রনাট্যকার রুমি জাফরির মাধ্যমে সালমান প্রস্তাব পাঠান, তিনি বাজারমূল্য দিয়ে বাংলোটি কিনতে চান। বিনিময়ে রাজেশের সমস্ত ঋণ শোধ করার পাশাপাশি তার প্রযোজনা সংস্থার একটি ছবিতে বিনামূল্যে অভিনয় করারও প্রস্তাব দেন।

কিন্তু এমন প্রস্তাব পেয়ে ভীষণ ক্ষুব্ধ হন রাজেশ খান্না এবং তা সরাসরি নাকচ করে দেন। শেষ পর্যন্ত আমৃত্যু এই বাংলোতেই বসবাস করেছেন এই কিংবদন্তি অভিনেতা। পরবর্তীতে তার মৃত্যুর পর ২০১৪ সালে ‘আশীর্বাদ’ বাংলোটি ৯০ কোটি টাকায় এক শিল্পপতির কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়।

এমআই/টিএ


মন্তব্য করুন