বাংলাদেশ বর্তমানে বিনিয়োগের জন্য একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্য: বাণিজ্যমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত
০৬:২৬ পিএম | ১৬ আগস্ট, ২০২৬
বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়াতে তথ্য-প্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা ও ফিনটেক খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে উভয় দেশ। বর্তমানে দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ সীমিত হলেও প্রযুক্তিনির্ভর খাতগুলোতে সহযোগিতা, বিনিয়োগ ও ব্যাবসায়িক অংশীদারি সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।
দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে আজ ঢাকায় মন্ত্রণালয়ে তার অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত লিথুয়ানিয়ার অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত ডায়ানা মিকেভিচিয়েনের এক বৈঠকে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, বিনিয়োগ সহযোগিতা এবং প্রযুক্তি খাতে অংশীদারির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্যের পরিমাণ বর্তমানে সীমিত হলেও দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।
বিশেষ করে বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশমান আইসিটি খাত, দক্ষ তরুণ জনশক্তি এবং ফ্রিল্যান্সারদের সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে লিথুয়ানিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো দক্ষিণ এশিয়ার বাজারে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে পারে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিনিয়োগের জন্য একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্য। দেশে বিনিয়োগ প্রত্যাহার ও মুনাফা নিজ দেশে ফেরত নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশে স্থিতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ রয়েছে।
লিথুয়ানিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, লিথুয়ানিয়া বিশ্বমানের লেজার প্রযুক্তি, গভটেক এবং ফিনটেক সেবায় অন্যতম অগ্রগামী দেশ। বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তর, প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং সাইবার নিরাপত্তা শক্তিশালী করতে লিথুয়ানিয়া অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বিনিময়ে আগ্রহী।
তিনি আরো বলেন, দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে কার্যকর অংশীদারি গড়ে উঠলে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, ব্যবসায়ী পর্যায়ে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর খাতে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
কেএন/এসএন