© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

শরীর টেপানোর ইচ্ছা হয় মাদরাসা শিক্ষকের, ডেকে রুমে নিয়ে যান ছাত্রকে

শেয়ার করুন:
শরীর টেপানোর ইচ্ছা হয় মাদরাসা শিক্ষকের, ডেকে রুমে নিয়ে যান ছাত্রকে

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:৫৭ পিএম | ১৮ আগস্ট, ২০২৬
কুমিল্লার চান্দিনায় ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মো. মনির হোসেন (৩২) নামের এক মাদরাসা শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তাকে আটক করা হয়।

এর আগে সোমবার দিবাগত রাতে দোল্লাই নবাবপুর বাজার এলাকায় নবাবপুর মারকাযুন নূর মাদরাসায় শিক্ষক মনির হোসেন ওই ছাত্রকে যৌন নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ ওঠে। অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক হাফেজ মনির হোসেন চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানায়, শিক্ষক মনির হোসেন সোমবার রাতে মাথা ও পা ম্যাসাজ করে দেওয়ার কথা বলে ডেকে রুমে নিয়ে তাকে যৌন নির্যাতন করেন। 

স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার সকালে ওই ছাত্র বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারকে বিষয়টি জানানোর পর স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন তিনি।

পরে বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে কিল-ঘুষি দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়। এদিন সন্ধ্যায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিঞাসহ এলাকায় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি আপস করার জন্য গ্রাম্য সালিসে বসেন। এ সময় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা খবর দিলে সেখান থেকে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নেয় পুলিশে।

এ বিষয়ে দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মিঞা বলেন, ‘দুই পক্ষ ইউনিয়ন পরিষদে এসে মীমাংসা করতে চাইলে আমরা গ্রাম্য সালিশে বসি। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে নিয়ে যায়।’

চান্দিনা থানার ওসি মো. নুরুজ্জামান বলেন, ‘স্থানীয় সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর আমরা তাৎক্ষণিক ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যাই। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় মামলা করবে বলে জানিয়েছে।’

আরআই/টিএ

মন্তব্য করুন