মুক্তির প্রথম দিনেই হতাশ দর্শকযশের অভিনয় প্রশংসিত হলেও কাঠগড়ায় চিত্রনাট্য
ছবি: সংগৃহীত
০৪:২৩ পিএম | ২৬ আগস্ট, ২০২৬
২০২৬ সালের বহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘টক্সিক:আ ফেয়ারি টেল ফর গ্রাউন-আপস’। একদিকে দক্ষিণী সুপারস্টার যশ। অন্যদিকে ‘হট অ্যান্ড সিজলিং’ কিয়ারা আডবাণী। রয়েছেন আরও তারকারা। কিন্তু এত তারকার উপস্থিতিতেও মুক্তির পরে ছবিটি অনেকেরই অপছন্দ হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই ‘নেগেটিভ রিভিউ’ (Toxic Review) দিয়েছেন বহু নেটিজেন।
দাবি করেছেন, যশের ‘এন্ট্রি’ দারুণ! এমনকী, গোটা ছবিতেই তাঁর ‘সোয়্যাগ’ নজর কাড়ে। কিন্তু শেষপর্যন্ত ছবিটি নাকি দুর্বল! স্বাভাবিক ভাবেই শুরুর দিনই এই ধরনের প্রতিক্রিয়ায় ‘টক্সিক’-এর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল।
এক্স হ্যান্ডলে এক ইউজার ‘টক্সিক’-কে ‘সবচেয়ে বড় দুঃস্বপ্ন’ বলে তোপ দেগেছেন। ছবিটিকে ‘তিন ঘণ্টার এক যন্ত্রণা’ হিসেবে অভিহিত করার পাশাপাশি এতে যশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। অবশ্য আরেক নেটিজেন যশের অভিনয় ও পর্দায় তাঁর উপস্থিতির প্রশংসা করেছেন। তবে ছবিটি তাঁকে চূড়ান্ত হতাশ করেছে বলে দাবি তাঁরও। দুর্বল চিত্রনাট্য, ধীরগতির কাহিনি এবং আবেগের অভাবের অভিযোগ তুলেছেন তিনি। আবার আরেকজনের মতে, ছবিটি নিতান্তই একঘেয়ে। গল্পটি মন ছুঁতে ব্যর্থ।

তাঁকে লিখতে দেখা গিয়েছে, ‘এমনটা আশা করিনি। পুরোপুরি বিপর্যয়।’ এমন অভিযোগ অনেকেরই। যাঁরা ছবিটি নিয়ে হতাশ, তাঁদের প্রায় সকলেই একমত, আসল ‘ভিলেন’ ছবিটির চিত্রনাট্য ও দুর্বল সম্পাদনা।
ট্রেলার থেকে বোঝা গিয়েছিল, গল্পের প্রেক্ষাপট নয়ের দশকের গোয়া। যেখানে মাদকচক্র, অপরাধ আর ক্ষমতার দাপটে সেসময়ে আধিপত্য বিস্তার করেছে এক নিষ্ঠুর সাম্রাজ্য। তা কতটা নিষ্ঠুর, কতটা অন্ধকার সেই উত্তরের জন্যই ছিল প্রতীক্ষা। যশ-কিয়ারার সঙ্গে নয়নতারা, হুমা কুরেশি, তারা সুতারিয়া এবং রুক্মিণী বসন্তের মতো নামজাদা অভিনেত্রীরা কাজ করেছেন ছবিতে। কিন্তু মুক্তির সঙ্গে সঙ্গে যশের ফ্যানরা ছাড়া একটা বড় অংশই নেটভুবনে উগরে দিয়েছেন ক্ষোভ। ফলে প্রশ্ন উঠছে, আদৌ কি প্রত্যাশিত বক্স অফিস পাবে ‘টক্সিক:আ ফেয়ারি টেল ফর গ্রাউন-আপস’? প্রশ্নটা উঠছে প্রথম শোয়ের পর থেকেই।