গভীর রাতে হঠাৎ চঞ্চলকে ফোনকল, দেখা না করেই বিয়ে!
ছবি: সংগৃহীত
০৮:০৬ পিএম | ২৮ আগস্ট, ২০২৬
বাটন ফোনের যুগে গভীর রাতে হঠাৎ একটি ফোনকল। ওপাশ থেকে এক তরুণী জানালেন, চঞ্চল চৌধুরীর অভিনয় তার ভালো লাগে। সেখান থেকেই শুরু দুজনের কথোপকথন। প্রায় এক মাস ফোনে কথা বলার পর সামনাসামনি দেখা হওয়ার আগেই ফোনে বিয়ের বিষয়ে কথা দেন তারা। এরপর দুই দফায় বিয়ে।
সেই গল্পের ২০ বছর পূর্ণ হয়েছে। স্ত্রী ডা. শান্তার সঙ্গে দীর্ঘ দাম্পত্যজীবনের স্মৃতি তুলে ধরে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী।
পোস্টে তিনি লিখেছেন, গভীর রাতে হঠাৎ এক মেয়ে ফোন করে বলেছিলেন, ‘আপনার অভিনয় আমার ভাল্লাগে’। যদিও তিনি সরাসরি আর কিছু বলেননি, চঞ্চলের মনে হয়েছিল শুধু অভিনয় নয়, হয়তো তাকেও ভালো লেগেছে মেয়েটির।

সেই বিশ্বাস থেকেই প্রায় এক মাস মোবাইল ফোনে কথা বলেন দুজন। পরে সামনাসামনি দেখা হওয়ার আগেই ফোনে কথা দেন, দুজন রাজি থাকলে তারা বিয়ে করতে পারেন।
চঞ্চল লিখেছেন, তার বয়স দ্রুত বাড়ছিল। বাবা-মা, ভাই-বোনসহ পরিবারের সবার কাছেই তিনি বিয়ের বিষয়ে দায়গ্রস্ত হয়ে উঠেছিলেন। তাই তার বিয়ের সিদ্ধান্তে পুরো পরিবার আনন্দিত হয়েছিল। অন্যদিকে, মেয়ের পরিবারের কয়েকজন ছিলেন ঘোর আপত্তিতে, কয়েকজন ছিলেন কিছুটা রাজি। শেষ পর্যন্ত নিজেদের সিদ্ধান্তেই বিয়ে করেন তারা।
প্রথম দফায় কাগজপত্রে আইনি প্রক্রিয়ায় এবং দ্বিতীয় দফায় ধর্মীয় অনুশাসন মেনে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের ২০ বছর পূর্তির কথা জানিয়ে চঞ্চল লিখেছেন, ‘হাজার অভিযোগ মাথায় নিয়ে গতকাল আমাদের বিয়ের বিশ বছর পার হলো!’

নিজেকে ‘বাউন্ডুলে’ উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, কখনো ভাবেননি তার মতো একজন মানুষের সঙ্গে স্ত্রী এত দিন সংসার করবেন। তাদের দীর্ঘ সংসার টিকে থাকার প্রধান কারণ হিসেবে একমাত্র সন্তান ‘শুদ্ধ’র কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।
সবার কাছে স্ত্রী ও ছেলের জন্য দোয়া ও প্রার্থনা চেয়ে চঞ্চল পোস্টের শেষে পরিচয় করিয়ে দেন সেই মেয়েটির, যার সঙ্গে এক ফোনকল থেকে শুরু হয়েছিল তার জীবনের নতুন অধ্যায়।
তিনি লিখেছেন, ‘ওহ….পরিচয় করিয়ে দেই…ঐ মেয়ে/ ভদ্রমহিলার নাম ডা. শান্তা…..!!’ সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদে তারা ভালো আছেন জানিয়ে সবার পরিবার-পরিজন নিয়ে ভালো থাকার কামনা করেছেন এই অভিনেতা।
এসএ/টিএ