স্ত্রী জয়া বচ্চনের বকুনি থেকে বাঁচতে বাড়ি ফেরার আগে কী করেন অমিতাভ?
ছবি: সংগৃহীত
০৭:০৯ পিএম | ৩০ আগস্ট, ২০২৬
বাড়ি ফিরতে দেরি হলে স্ত্রী জয়া বচ্চনের বকুনি থেকে বাঁচতে যে কৌশলের আশ্রয় নেন অমিতাভ বচ্চন, সে কথা তিনি ফাঁস করেছেন সবার সামনে।
কি সেই কৌশল? এনডিটিভি জানিয়েছে, সম্প্রতি কুইজ শো ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি ১৮’-এর একটি পর্বে অভিনেতা বলেন, কোনো কারণে বাড়ি ফেরার আশঙ্কা থাকলে আগেভাগে হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপে একটি বার্তা পাঠিয়ে রাখেন। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপও রয়েছে বচ্চন পরিবারের।
অমিতাভ বলেন, “আমি জানি কী হতে পারে। তাই পারিবারিক গ্রপে একটা বার্তা পাঠাই। জোড় হাতের ছবি বলি, কোথায় আমার শুটিং চলছে এবং দেরি হওয়ার কারণও বলি।” পরিবারের সদস্যদের রাতের খাবারের জন্য অপেক্ষা না করার অনুরোধ করেন। “এই কাজটাই আমাকে বাঁচিয়ে দেয়।”

এর পরেই মজা করে তিনি বলেন, স্ত্রী জয়া বচ্চনকে আগে থেকে না জানালে তাকে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়।
অমিতাভ বলেন, “আমি জানি আগে থেতে তাকে না জানালে বকুনি খাব। জিজ্ঞেস করবে, ‘কোথায় ছিলে? আমাদের জানালে না কেন? এটা বাড়ি ফেরার সময়’?’
তবে রাত বেশি হলে জয়া নিজের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বাড়িতে ঘরের এবং নিজের কাজে বরাবরই হাত লাগান অমিতাভ। তুমুল ব্যস্ততার মধ্যে বলিউড মেগাস্টারকে মাঝেমধ্যে নিজের জামাকাপড় নিজেরই কাচতে হয়; শুধু তাই নয়, সেগুলো ইস্ত্রি করে আলমারিতে গুছিয়েও রাখতে হয়।
অমিতাভ বলেন, “বাড়িতে যত কর্মীই থাকুন না কেন, এমনও কখনও হয় যে তারা হয়ত কেউ নেই। তখন আমি কাজ করি। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা থেকে সব কিছুই সামলাই। রান্না করতে জানি না, তাই বাইরে থেকে খাবার আনিয়ে নিই।”
স্ত্রীর কাছে আবদার করার কথা জানিয়ে অমিতাভ বলেন, “দেবীজি, একটু কিছু বানিয়ে দাও।’” অমিতাভ বলেন, তার এসব কর্মকাণ্ডে জয়া বেশ খুশি হন।
অভিনেতার কথায়, জয়া স্বামীর জন্য খাবার তৈরি করে তার স্বাদ কেমন হয়েছে জানতে চান। অমিতাভ-জয়া বিয়ে করেন ১৯৭৩ সালে। সে সময় মুক্তি পায় এই দম্পতির ‘জঞ্জির’ সিনেমাটি।
অভিনয় জুটি হিসেবেও তারা জনপ্রিয় ছিল। ‘বংশী বিরজু’, ‘এক নজর’, ‘জাঞ্জির’, ‘অভিমান’, ‘মিলি’, ‘চুপকে চুপকে’, ‘শোলে’, ‘সিলসিলা’ ও ‘কাভি খুশি কাভি গাম’-এই জুটির জনপ্রিয় সিনেমার তালিকা বেশ বড়। দুজনের সিনেমার সেটে দেখাদেখি, তারপর ভালোলাগা, ভালোবাসা। অতঃপর সংসার।
কেএন/এসএন