© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

‘নামে বিজ্ঞান আছে’ দেখেই ঢাবির রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ভর্তি হন মিথিলা!

শেয়ার করুন:
‘নামে বিজ্ঞান আছে’ দেখেই ঢাবির রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ভর্তি হন মিথিলা!

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:১৬ পিএম | ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
মডেলিং ও অভিনয়ের পাশাপাশি সমাজকর্মী হিসেবে পরিচিত মুখ রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। পড়াশোনার একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এক পডকাস্টে নিজের উচ্চশিক্ষার বিষয় নির্বাচনের পেছনের অজানা ও কৌতূহলোদ্দীপক গল্প শোনালেন এই অভিনেত্রী।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়েছেন অনার্স ও মাস্টার্স। তবে এই বিষয়টি বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তটি তার জন্য ছিল অনেকটাই আকস্মিক। ছোটবেলায় মায়ের হাত ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে যাওয়া-আসার স্মৃতিই পরবর্তী সময়ে তার বিষয় নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলে।

মিথিলা জানান, এসএসসি ও এইচএসসি দুটিই তিনি বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাস করেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার ক্ষেত্রে পরিবারের আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বা সরকারি কলেজে পড়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয় তাকে। মিথিলা বলেন, ‘আমি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়াশোনা করেছি। অনার্স এবং মাস্টার্স দুটোই।’



মিথিলার কথায়, ‘আমার ধারণা একটা অবচেতন মনে আমার ভেতরে একটা একটা ভালোবাসা ছিল ওই জায়গাটার প্রতি। তো সেখান থেকে আমি ভাবলাম যে, না ঠিক আছে আমি ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়বো। কিন্তু যদি পড়ি তাহলে আমি কলাভবনেই পড়বো। আমি অন্য কোনো ডিপার্টমেন্টে পড়বো না।’

মিথিলা বলেন, ‘তো এসব আমি জানিও না যে আমি একদমই সাইন্সের মানে ম্যাথস, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি এগুলো পড়ে আমার অভ্যাস। তো সেখানে গিয়ে যখন আমাকে বিভিন্ন ধরনের বিষয় বলা হচ্ছে পলিটিক্যাল সাইন্স, পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন, উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ, ইকোনমিক্স আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।’

পরিবারে তিনিই ছিলেন প্রথম প্রজন্মের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। ফলে কোন বিষয় বেছে নেওয়া উচিত, সে বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার মতো অভিজ্ঞতাও কাছাকাছি ছিল না। শেষ পর্যন্ত ভর্তি সাক্ষাৎকারের সময় তাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বেছে নিতে বলা হলে তিনি সেটিই গ্রহণ করেন।

মিথিলার কথায়, ‘ইন্টারভিউয়ের সময় আমাকে বলল, তুমি রাষ্ট্রবিজ্ঞান না। আমি বললাম ঠিক আছে। তার মধ্যে বিজ্ঞান তো আছে। সেরকমভাবে কিছু জেনে বুঝে আমি আমার বিষয়টা নির্বাচন করতে পারিনি আসলে।’

এসএ/এসএন


মন্তব্য করুন