© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

নরসিংদীতে নামাজরত অবস্থায় বৃদ্ধাকে হত্যা, প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩

শেয়ার করুন:
নরসিংদীতে নামাজরত অবস্থায় বৃদ্ধাকে হত্যা, প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:১৬ পিএম | ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নরসিংদীর মাধবদীতে নামাজরত অবস্থায় বৃদ্ধা জাহানারা বেগমকে (৭৩) হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুইজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মাধবদী থানা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আশিকুর রহমান এ তথ্য দেন। 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন স্বর্ননিগৈড় গ্রামের মৃত হারুন মিয়ার ছেলে হৃদয় মিয়া (২৭), একই গ্রামের ছায়েদের ছেলে কাদির মিয়া (২৭) ও আকমান মিয়ার ছেলে আবু মিয়া (২৯)।

পুলিশ জানায়, গত ৩০ জুলাই বিকেলে মাধবদী থানার মেহেরপাড়া ইউনিয়নের স্বর্ননিগৈড় গ্রামে নিজ বাড়ির বারান্দায় নামাজরত অবস্থায় জাহানারা বেগমকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল মিয়া বাদী হয়ে মাধবদী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি নরসিংদী জেলা পুলিশ সুপারের ব্যক্তিগত তত্ত্বাবধানে তদন্ত শুরু করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সুপার আশিকুর রহমান বলেন, হৃদয় মিয়াকে ৯ আগস্ট, কাদির মিয়াকে ৩০ জুলাই এবং আবু মিয়াকে ১৬ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার সুমন ও কাদিরের বিরুদ্ধে এর আগেও পৃথক মামলা রয়েছে।

তিনি আর বলেন , আবু মিশ্রের দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি অনুযায়ী, জহুরা খাতুনের গলার সোনার চেইন চুরির উদ্দেশে প্রায় ৭/৮ মাস আগে স্থানীয় একটি মাদরাসায় বসে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। ঘটনার দিন বিদ্যুৎ না থাকার সুযোগে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয় তারা। আসামিরা জহুরা খাতুনের বাড়িতে প্রবেশ করে। তিনি নামাজরত অবস্থায় থাকাকালে তার ওপর হামলা চালানো হয়। এ পর্যায়ে বিদ্যুৎ চলে আসে এবং তাদের চিনে ফেলে এবং বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পিঠ ও মাথায় আঘাত করা হয়। পরে তার গলার সোনার চেইন নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় তারা।

পুলিশের ভাষ্য, হত্যাকাণ্ডের পর অল্প সময়ের মধ্যেই আসামিরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আশিকুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজীব শাহরীন এবং ওসি মাধবদী মো. কামাল হোসেনসহ জেলার সম্মানিত সংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। 

এমআর/টিএ  

মন্তব্য করুন