সুরতহাল প্রতিবেদনমাথায় ও পুরো শরীরে জখম আছে অপ্রতীমের
ছবি: সংগৃহীত
১২:১৫ এএম | ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
মাথায় গুরুতর আঘাত ও পুরো শরীরে বেশ কিছু জখমের চিহ্ন মিলেছে স্কুল ছাত্র অপ্রতীমের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদনে। পুলিশের ধারনা মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করা হতে পারে।
সুরতহাল প্রনয়নকারী সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই সাইফুল ইসলাম রাত ১১ টার দিকে বলেন, ‘ওই স্কুল ছাত্রের মাথায় গুরুতর রক্তাক্ত আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে মাথায় আঘাতের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আরো ছোটখাটো কিছু আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ময়নাতদন্তে অংশ নেয়া একজন চিকিৎসক বলেন, ‘আপাতত মাথার আঘাতে মৃত্যু হয়েছে বলে আমরা ধারনা করছি। তবে তাকে শ্বাসরোধ করা কিংবা হত্যার আগে চেতনা নাশক কিছু খাওয়ানো হয়েছিল কিনা এটা নিশ্চিত হতে শরীর থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।’
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ শনিবার দুপুরে কুবির ক্যাম্পাসের পার্শ্ববর্তী জঙ্গল লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিতেই তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ ধারনা করছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ সিসিটিভির ফুটেজ দেখে প্রথমে তুহিন নামের এক যুবককে আটক করে। পরে তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আনাস ও ফাহিম আহমেদকে আটক করা হয়েছে।
এরআগে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তার ব্যবসায়ী বাবাকে এম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। নিহত অপ্রতীম স্থানীয় বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
রাত সাড়ে সাড়ে ১১ টায় সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘ডিবি ও এসআরবি হেফাজতে আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না। এ ঘটনায় রোববার মামলা করবে ওই স্কুল ছাত্রের পরিবার। ’
এমআই/টিএ