© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় ৪ আসামির দায় স্বীকার করে জবানবন্দি

শেয়ার করুন:
অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় ৪ আসামির দায় স্বীকার করে জবানবন্দি

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:২২ পিএম | ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আইফোন ছিনিয়ে নিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে (১৩) হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪ আসামিই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক আবিদা সুলতানা মলির কাছে জবানবন্দি দেন তারা।

রাত সোয়া ৮টার দিকে কুমিল্লার আদালতে কর্মরত এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা দেশের একটি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, অপ্রতিমকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৬), কামরুল হাসান (১৫) এবং মো. সিয়ামকে (১৫) রোববার বিকেলে আদালতে তোলা হয়। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন তারা।

রাত সাড়ে ৮টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তারা এখনো আদালতে অবস্থান করছেন। আদালতের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হবে।

কুমিল্লা কোর্ট থানা পুলিশের পরিদর্শক সাদেকুর রহমান দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তাদের ব্যাপারে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা একটু প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যস্ত আছি। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লা কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান সে। শুক্রবার বিকেলে মায়ের আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেনি। পরে তার বাবা ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি নিখোঁজের জিডি করেন। নিখোঁজের পরদিন শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ গেটের পাশে লালমাই পাহাড়ঘেঁষা সানন্দা গ্রামের ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। 

অপ্রতিম কুমিল্লা কোটবাড়ি এলাকায় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অপ্রতিমের সঙ্গে থাকা আইফোনটি নেওয়ার জন্যই তাকে হত্যা করা হয়েছে। কিলিং মিশনে অংশ নেন চারজন। সবাইকে শনাক্ত করে আটক করেছে পুলিশ। পরে অপ্রতিমের বাবার দায়ের করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে তোলা হলে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এ ঘটনা দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

কেএন/টিএ


মন্তব্য করুন