© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

হোয়াইট হাউসে নিষেধাজ্ঞা, ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করছে সিএনএন-এমএস নাও-পলিটিকো

শেয়ার করুন:
হোয়াইট হাউসে নিষেধাজ্ঞা, ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করছে সিএনএন-এমএস নাও-পলিটিকো

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৫:৫০ পিএম | ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
হোয়াইট হাউসে প্রবেশাধিকার বাতিলের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছে দেশটির তিন সংবাদমাধ্যম: সিএনএন-এমএস নাও-পলিটিকো। 

নিজেদের সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউসে প্রবেশাধিকার পুনর্বহালের দাবিতে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) মামলাটি করার ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠান তিনটি।

মামলাটি যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ফর দ্য ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়ায় করা হচ্ছে। জরুরি ভিত্তিতে করা আবেদনের ওপর চলতি সপ্তাহেই শুনানি ও প্রশাসনের বক্তব্য শোনার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলো।

যৌথ বিবৃতিতে সিএনএন-এমএস নাও-পলিটিকো বলেছে, সাংবাদিকদের প্রতিবেদন নিয়ে আপত্তি থাকার কারণে কোনো নোটিশ বা যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই তাদের হোয়াইট হাউসের প্রেস ক্রেডেনশিয়াল বাতিল করা হয়েছে। তাদের দাবি, সরকারের কোন খবর সংবাদমাধ্যম প্রকাশ করবে বা করবে না, এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সরকারের নেই।

তিন প্রতিষ্ঠান আরও বলেছে, এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া হলে তা স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং সরকারি হস্তক্ষেপমুক্ত সংবাদ পরিবেশনের অধিকারের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার ট্রাম্প সিএনএন-এমএস নাও-পলিটিকোকে হোয়াইট হাউস থেকে নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দেন। এরপর শনিবার প্রতিষ্ঠান তিনটির সাংবাদিকরা হোয়াইট হাউসে প্রবেশের চেষ্টা করলে তাদের প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়নি এবং কয়েকজনের প্রেস ব্যাজও জব্দ করা হয়।

ট্রাম্প ওই সিদ্ধান্তের পক্ষে সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন নিয়ে আপত্তির কথা জানিয়েছিলেন এবং অন্য সংবাদমাধ্যমকেও ভবিষ্যতে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

নিষেধাজ্ঞার ফলে সিএনএন-এমএস নাও-পলিটিকোর সাংবাদিকরা হোয়াইট হাউসের ভেতরে তাদের নির্ধারিত কর্মস্থলে প্রবেশ করতে পারছেন না। সিএনএন-এমএস নাও তাদের টেলিভিশন সরঞ্জাম এবং হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গণের নির্দিষ্ট ক্যামেরা পজিশনও ব্যবহার করতে পারছে না।

মামলায় তিন সংবাদমাধ্যমই দাবি করছে, এই নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীতে সুরক্ষিত সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার অধিকার এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার সাংবিধানিক সুরক্ষা লঙ্ঘন করেছে।

এদিকে নিষেধাজ্ঞার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও প্রেস-স্বাধীনতা সংগঠনও সিদ্ধান্তটির সমালোচনা করেছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন নিষেধাজ্ঞার পক্ষে আইনি অবস্থান নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।

মামলাটি এখন হোয়াইট হাউসের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমগুলোর সম্পর্ক এবং যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি কর্মকাণ্ড কভার করার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের সাংবিধানিক অধিকার নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে।

এসএন 

মন্তব্য করুন