© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

‘দায়িত্ব পালন করতে না পারলে হাতে চুড়ি পরে বসে থাকেন’, ডিসিকে জামায়াত নেতা

শেয়ার করুন:
‘দায়িত্ব পালন করতে না পারলে হাতে চুড়ি পরে বসে থাকেন’, ডিসিকে জামায়াত নেতা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৪:৫৯ পিএম | ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
ঝিনাইদহে বিসিআইসি সারের ডিলার নিয়োগে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও আওয়ামীকরণের অভিযোগ তুলে জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন প্রিন্সের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতারা।


বিতর্কিত ডিলার নিয়োগ বাতিল করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নতুন নিয়োগের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে জেলা প্রশাসককে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সমাবেশে জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল হাই বলেন, ‘সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে না পারলে হাতে চুড়ি পরে বসে থাকুন।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে ঝিনাইদহ শহরের পায়রা চত্বরে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পূর্বঘোষিত আলটিমেটাম অনুযায়ী আয়োজিত এ কর্মসূচি প্রায় দেড় ঘণ্টা চলে। এতে জেলার ছয়টি উপজেলা থেকে আসা দলটির শত শত নেতাকর্মী অংশ নেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির আলী আজম মো. আবু বকর বলেন, কৃত্রিম সারসংকট তৈরি করে সাধারণ কৃষকদের জিম্মি করার উদ্দেশ্যে ঝিনাইদহে সারের ডিলার নিয়োগে নজিরবিহীন দুর্নীতি ও ব্যাপক আওয়ামীকরণ করা হয়েছে বলে তারা মনে করেন।

ফ্যাসিবাদী আমলে নিয়োগ পাওয়া ডিলারদের কারণে কৃষকেরা এমনিতেই দিশেহারা বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, দেশের এই সংকটময় পরিস্থিতিতে অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী আপসহীন প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছে। বিতর্কিত সার-বীজ মনিটরিং কমিটি এবং দলীয় বিবেচনায় দেওয়া সব ডিলারশিপ বাতিল করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নতুন করে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

জেলা প্রশাসকের ভূমিকা নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল হাই বলেন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়কে দুর্নীতির খুঁটি বানিয়ে রাখা হয়েছে। দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে জেলা প্রশাসককে পদ ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি তিনি অবমাননাকর ভাষায় আক্রমণ করেন। এ সময় জেলা প্রশাসকের উদ্দেশে চুড়ি পাঠানোর কথাও বলেন তিনি।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও জেলা পরিষদকে ঘিরে কথিত অভ্যন্তরীণ সিন্ডিকেটের অভিযোগ তুলে আব্দুল হাই আরও বলেন, প্রতিষ্ঠান দুটি আত্মীয়স্বজনের যোগসাজশে পরিচালিত হচ্ছে। অবিলম্বে সংশোধন না হলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আরও কঠোর ও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ও সম্ভাব্য পৌর মেয়র প্রার্থী আব্দুল আলিম, ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মতিয়ার রহমান, ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবু তালেব, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল আউয়াল এবং সদর উপজেলা জামায়াতের আমির ড. হাবিবুর রহমানসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতারা।

কেএন/এসএন

মন্তব্য করুন