© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে পুড়িয়ে দেয়া হলো মাদ্রাসাশিক্ষকের ঘর

শেয়ার করুন:
ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে পুড়িয়ে দেয়া হলো মাদ্রাসাশিক্ষকের ঘর

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:৩৫ পিএম | ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
‎পাবনা সদর উপজেলায় একটি মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন। এ সময় উত্তেজিত জনতা মাদ্রাসা ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে উত্তেজিত জনতা মাদ্রাসা ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। এর আগে সকালে উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের দড়িভাউডাঙ্গা গ্রামে নুরে মদিনা মহিলা কওমি মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত আবু ইউসুফ পাবনা সদরের সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের খালিশপুর গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে। তিনি ওই মহিলা মাদরাসার পরিচালক। মাদ্রাসাটিতে দেড় শ মেয়ে শিক্ষার্থী রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, শুক্রবার ভোরে ফজরের আজানের আগ মুহুর্তে এক ছাত্রী শৌচাগারে যাওয়ার জন্য বের হলে শিক্ষক ইউসুফ তাকে জোর করে একটি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত শিক্ষক পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়া হয়।

‎ওই ছাত্রীর অভিযোগ, এর আগেও তাকে একাধিকবার অচেতন করে ধর্ষণ করা হয়েছে। এ জন্য চেতনানাশক পদার্থ ব্যবহার করা হতো বলেও দাবি করেন তিনি। ঘটনার পর তাকে জন্মনিয়ন্ত্রণের ওষুধ খাওয়ানো হতো। মাদ্রাসার অন্য কয়েকজন ছাত্রীর সঙ্গেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়া হতো বলেও জানান তিনি। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ওই ছাত্রী।

‎এদিকে ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে উত্তেজিত লোকজন মাদ্রাসা ও অভিযুক্ত শিক্ষকের থাকার বাড়িতে ভাঙচুর এবং আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়।

‎পাবনা পুলিশ সুপার আশরাফ বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

এমআই/টিএ

মন্তব্য করুন