বিকাশে দেয়া যাবে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে অনুদান
‘ক্ষুদ্র প্রয়াস রক্ষা করবে ইতিহাস’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরে আর্থিক অনুদান সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই অনুদান সংগ্রহের কাজটি আরও অংশগ্রহণমূলক ও সহজতর করতে জাদুঘরের ওয়েবসাইটে একটি বিশেষ পেজের (পেমেন্ট গেটওয়ে) যৌথভাবে ব্যবস্থা করেছে বিকাশ ও মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর।
শুক্রবার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করে বিকাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক।
এই পেমেন্ট গেটওয়ে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের জন্য ১০০, ৫০০ অথবা ১০০০ টাকা হারে যেকোনো অংকের অর্থ অনুদান করা যাবে। বিকাশ এই সেবাটি দিতে কোনো সার্ভিস চার্জ গ্রহণ করবে না।
জানা গেছে, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ওয়েবসাইটের (https://www.liberationwarmuseumbd.org/bkash/) এই লিঙ্ক থেকে অনুদান দেওয়ার পেইজে প্রবেশ করতে পারবেন গ্রাহক। এরপর নিজের নাম ও ইমেইল আইডি এবং টাকার পরিমাণ দিতে হবে। পরবর্তী ধাপে বিকাশ নম্বর দিলে একটি ওয়ান-টাইম-পাসওয়ার্ড (ওটিপি) গ্রাহকের মোবাইলে চলে যাবে। ওটিপি এবং পিন দিয়ে অনলাইনেই অনুদান সম্পন্ন করতে পারবেন।
অনুদান দেওয়ার পরে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের পক্ষ থেকে একটি সার্টিফিকেট এবং একটি স্মারক ছবি গ্রাহকের ইমেইল আইডিতে পাঠিয়ে দেয়া হবে। এটা তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে অন্যদের অনুদান প্রদানে উদ্বুদ্ধ করতে পারবেন। আবার প্রিন্ট নিয়ে নিজের জন্য সংরক্ষণও করতে পারবেন। একজন গ্রাহক যতবার ইচ্ছা উল্লিখিত পরিমাণ টাকা অনুদান হিসেবে দিতে পারবেন। প্রতিবারই তিনি পাবেন সার্টিফিকেট ও স্মারকের একটি ছবি।
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস সংরক্ষণ ও ভবিষ্যতে বয়ে নিয়ে যেতে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ প্রয়োজন। খুব ছোট্ট পরিসরে জাদুঘর ইতিহাসের স্মারক সংরক্ষণের যে কার্যক্রম শুরু করেছিল তা এখন বহু মানুষের অংশগ্রহণে একটি কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত ও সমৃদ্ধ হয়েছে। তবে এখনো অনেক কাজ বাকি এবং তা এগিয়ে নিতে অর্থ সংস্থান জরুরি।
বিকাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর বলেন, আজকের প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের স্বরূপ প্রতিষ্ঠায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের যে অসাধারণ অবদান তা আরো বেগবান করার কার্যক্রমে যুক্ত হতে পেরে বিকাশ গর্বিত।
টাইমস/এমএএইচ/এসআই