ফের লজ্জার হার, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সিরিজ খোয়াল বাংলাদেশ
১০:১৭ এএম | ২৪ মে, ২০২৪
তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচটি ছিল দুই দলের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। যেখানে বাংলাদেশকে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিল স্বাতিক যুক্তরাষ্ট্র। অনেকে ওই ম্যাচটিকে অঘটন হিসেবে আখ্যা দিলেও তা দ্বিতীয় ম্যাচে ভুল প্রমাণ করল মার্কিন ক্রিকেটাররা। সিরিজ নিশ্চিতের ম্যাচে সফরকারীদের ৬ রানে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্র। এতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই জিতে নিলো বিশ্বকাপের সহ-আয়োজকরা।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটে এটা ইতিহাস। বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ। সেটিই জিতে নিলো দেশটি।
বৃহস্পতিবার (২৩ ,মে) টেক্সাসের হিউস্টনে প্রেইরি ভিউ ক্রিকেট কমপ্লেক্সে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৪ রান করে যুক্তরাষ্ট্র। ১৪৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার সৌম্য সরকার। দলীয় ১ রানের মাথায় বাঁহাতি পেসার নেত্রাভাকারকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে গোল্ডেন ডাকে ফেরেন বাঁহাতি এই ওপেনার।
বাংলাদেশের আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম শুরুটা করেছিলেন ভালো। কিন্তু ১৫ বলে একটি করে চার-ছক্কায় ১৯ করে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি। তামিম ফিরলেও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত উইকেটে থাকেন অনেকটা সময়। তবে তার ইনিংসটি ঠিক টি-টোয়েন্টির সঙ্গে মানানসই ছিল না। কিন্তু ৩৪ বলে ২ চার আর ১ ছক্কায় ৩৬ রান করে তাওহিদ হুদয়ের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে তিনি হন রানআউটের শিকার।
দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখিয়ে ২১ বলে এক ছক্কায় ২৫ রানের বেশি এগোতে পারেননি হৃদয়ও। ইনসাইডেজে তিনি বোল্ড হন অ্যান্ডারসনের বলে। এর এক ওভার পর অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহও (৪ বলে ৩) বোল্ড হলে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। ১০৬ রানে হারায় ৫ উইকেট।
এমন বিপদে বাংলাদেশ দলের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান হাল ধরেন। দল যখন জয় থেকে ২১ রান দূরে, ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ হন জাকের আলি (৫ বলে ৪)। ৪ বলের মধ্যে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ২৩ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ৩০ রান করে আলি খানের বলে ইনসাইডেজে বোল্ড হয়ে যান সাকিবও।
এর আগে ৬ উইকেটে ১৪৪ রান তোলে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্র ওপেনিং জুটিতে ৬.৪ ওভারে ৪৪ রান যোগ করে। এরপর রিশাদ এক ওভারে দুই উইকেট তুলে নেয়। দলটির ওপেনার স্টিভেন টেইলর ৩১ রান করে আউট হন।
অন্য ওপেনার মোনাঙ্ক প্যাটেল ৩৮ বলে ৪২ রানের ইনিংস খেলেন। চারে নামা অ্যারন জোনস খেলেন ৩৪ বলে ৩৫ রানের ইনিংস। প্রথম ১০ ওভারে ৬৮ রান কররেও শেষ দিকে সেভাবে রান তুলতে পারেনি দলটি।
বাংলাদেশের হয়ে বাঁ-হাতি পেসার শরিফুল ইসলাম ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন। রিশাদ ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট। মুস্তাফিজ তার ৪ ওভারে ৩১ রান দিয়ে ২ উইকেট দখল করেছেন। পেসার তানজিদ সাকিব উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে মাত্র ২৩ রান দিয়েছেন।