কে এই মেসি ২.০?
ছবি: সংগৃহীত
০৩:৩১ পিএম | ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫
আর্জেন্টাইন চিত্রপরিচালক অ্যালেক্স দে লা ইগলেসিয়া যখন ‘মেসি’ প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করছিলেন, তখন মেসির শৈশব ফুটিয়ে তুলতে খুঁজে পাওয়া যায় এক প্রতিভাধর কিশোরকে। তার নাম ভ্যালেন্তিনো আকুনিয়া। ইউটিউবের মাধ্যমে তাঁর দুর্দান্ত ড্রিবলিং এবং মেসির মতো বল পায়ে দৌড় দেখে মাত্র ৯ বছর বয়সে আকুনিয়াকে মেসির বডি-ডাবল হিসেবে নির্বাচন করা হয়।
ছবির জন্য আকুনিয়ার বাবাও কোনো দ্বিধা করেননি। তবে আকুনিয়া শুধু পর্দার মেসিই ছিলেন না। বলার অপেক্ষা রাখে না, তাঁর বাঁ পায়ের দক্ষতা এবং খেলোয়াড়ি কৌশল তখন থেকেই তাঁকে মেসি ২.০ নামে পরিচিতি দেয়। তবে প্রামাণ্যচিত্রে তাঁর মুখ দেখা যায়নি। যা দেখা গেছে, তা কেবল তাঁর পায়ের দুর্দান্ত কারিকুরি। যা মেসির শৈশবের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরেছে।
বাস্তবেও মেসির মতোই আকুনিয়ার যাত্রা শুরু হয় নিউয়েলস ওল্ড বয়েজে। ২০১০ সালে ক্লাবের বয়সভিত্তিক দলে যোগ দিয়ে আকুনিয়া দ্রুত সকলের নজর কাড়েন। ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলা শুরু করলেও কোচের পরামর্শে তিনি মাঝমাঠে খেলতে শুরু করেন। ২০২২ সালে ক্লাবের সঙ্গে প্রথম পেশাদার চুক্তি স্বাক্ষর করেন আকুনিয়া।
২০২৩ সালে দক্ষিণ আমেরিকার অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ এবং ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে নিজের নৈপুণ্য দেখান আকুনিয়া। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে জাপানের বিপক্ষে গোল করার পর তিনি বলেছিলেন, এই জার্সি পরে পরিবারের সামনে গোল করা, এটা আমার জীবনের সেরা মুহূর্ত।
তারপর আসে আকুনিয়ার জীবনে আরও বড় মুহূর্ত। নিউয়েলসের মূল দলে অভিষেক পর আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের মাঠে মেসির সঙ্গে সাক্ষাৎ ও ছবি তোলা। ভ্যালেন্তিনো আকুনিয়ার গল্প যেন সিনেমার মতোই। শুধু পর্দায় নয়, বাস্তবেও তিনি হয়ে উঠছেন ফুটবলের নতুন জাদুকর, মেসি ২.০।
টিএ/