© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

নিয়মিত ওটস খাওয়ার উপকারিতা

শেয়ার করুন:
নিয়মিত ওটস খাওয়ার উপকারিতা

ছবিঃ সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:৪১ এএম | ০২ মার্চ, ২০২৫

<div><div>ওটস একটি পুষ্টিকর গোটা শস্য, যা ফাইবার, প্রোটিন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর

ওটস একটি পুষ্টিকর গোটা শস্য, যা ফাইবার, প্রোটিন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানে পরিপূর্ণ। এসব উপাদান শরীরকে সুস্থ এবং ফিট রাখতে সাহায্য করে। সকালের নাশতায় আপনি ওটস পোরিজ, স্মুদি বা সালাদ হিসেবে খেতে পারেন।

সকালে ওটস খাওয়ার মাধ্যমে যে উপকারিতা পাওয়া যায়:

শরীরে শক্তি যোগায়: ওটস শরীরের হজমশক্তি উন্নত করে ৷ শরীরে একটানা শক্তি জোগায় । এটি আপনাকে সারাদিন শক্তিতে পূর্ণ রাখে ৷ এর ফলে আপনার সারাদিন কাজ করার ক্ষমতা বাড়ে ।

ফাইবার সমৃদ্ধ: ওটসে বিটা-গ্লুকান নামক দ্রবণীয় ফাইবার রয়েছে ৷ যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখার পাশাপাশি পরিপাকতন্ত্রের উন্নতিও করে । এটি ক্ষুধা কমায়। সেই সঙ্গে ওজন কমাতে সাহায্য করে ।

কোলেস্টেরল কমায়: ওটসে থাকা ফাইবার খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় ৷ এর ফলে হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যের উন্নতি হয় এবং হৃদরোগজনিত রোগের ঝুঁকি কমায় ৷

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে: নিয়মিত ওটস খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল থাকে। এ কারণে এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিশেষ উপকারী । এটি হঠাৎ রক্তে শর্করার বৃদ্ধি রোধ করতে সহায়তা করে ।

হজম শক্তি উন্নতি করে: ওটসে থাকা দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় ফাইবার পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে ৷ এর ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দূর হয় এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে ।

প্রোটিনের উৎস: ওটসে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকায় এটি পেশিকে শক্তিশালী করতে এবং শরীরের টিস্যু মেরামত প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে ।

অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য: ওটসে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরকে ফ্রি র‌্যাডিক্যালের কারণে হওয়া ক্ষতি থেকে রক্ষা করে এবং প্রদাহ কমায়। এর ফলে ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

ওজন কমাতে সহায়ক: প্রোটিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ ওটস খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে ৷ ফলে অতিরিক্ত খাবার বা স্ন্যাকসের প্রয়োজনীয়তা দূর হয় । এইভাবে এটি ওজন হ্রাস এবং বিপাক উন্নত করতে সাহায্য করে।

মন্তব্য করুন