দই খাওয়ার সঠিক নিয়ম কোনটি?
ছবি : সংগৃহীত
০৬:৪৫ পিএম | ২১ মার্চ, ২০২৫
<div>শীত শেষ না হতেই বাড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রা। সেই সঙ্গে শুরু হতে যাচ্ছে গ্র
শীত শেষ না হতেই বাড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রা। সেই সঙ্গে শুরু হতে যাচ্ছে গ্রীষ্মকাল। এ সময় দুপুর বা বিকেলের দিকে বাড়ির বাইরে বের হওয়া খুব কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে সবার মধ্যেই পানিশূন্যতা দেখা দেয়।
রমজানে ইফতারের পর আমরা বিভিন্ন পানীয় খেয়ে সেই পানিশূন্যতা দূর করার চেষ্টা করি। কেউ কেউ পানি খেয়ে হাইড্রেটেড থাকার চেষ্টা করেন। কিন্তু এই সময় অনেকে এমন খাবারও খান যা শরীরে ফোলাভাব তৈরি করে। দই তাদের মধ্যে একটি।
গ্রীষ্মকালে দইয়ের চাহিদা প্রচুর। দই কেবল শরীরে আর্দ্রতা তৈরি করে না, বরং অনেক ধরনের স্বাস্থ্য উপকারিতাও প্রদান করে। কিন্তু গ্রীষ্মে দই কিভাবে সঠিক পদ্ধতিতে খাবেন, তা জানা গুরুত্বপূর্ণ।
দইয়ের স্বাদ ঠাণ্ডা হলেও, আসলে এটি গরম। তাই এর সঙ্গে সামান্য পানি মেশানো উচিত। যাতে এটি সুষম হয় এবং শরীরের কোনো ক্ষতি না করে, বরং কেবল উপকার করে।
চিকিৎসকদের মতে, রাতে কখনোই দই খাওয়া উচিত নয়। কারণ এটি শরীরের ক্ষতি করতে পারে এবং স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটাতে পারে।
মানুষ সাধারণত চিনি দিয়ে দই খায়।
কেউ কেউ জিরা গুঁড়া দিয়ে দই খায়। লবণ দিয়ে দই খাওয়া মানুষের সংখ্যাও অনেক। কিন্তু লবণাক্ত দই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
দইয়ের সঙ্গে চিনি, আমলকির গুঁড়া অথবা মধু মিশিয়ে খান। এটি শরীরকে বিভিন্ন পুষ্টি সরবরাহ করে।
দই ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের সমৃদ্ধ উৎস এবং এটি মস্তিষ্ক ও হাড়কেও শক্তিশালী করে। কিন্তু দই কখনোই গরম খাওয়া উচিত নয়।
প্রায়শই সরাসরি দই খেলেও ত্বকের সমস্যা হতে পারে, পাচনতন্ত্রের ব্যাঘাত ঘটতে পারে এবং শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।
তাই দইয়ের সঙ্গে সামান্য পানি মিশিয়ে খাওয়া উচিত। তবে এতে ভুলেও লবণ যোগ করা যাবে না।
আরএ/টিএ