চলমান আন্দোলন ও বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিবাদের নামে একদল দেশের পরিস্থিতিকে খারাপ করছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনি। দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সঙ্গে এক আলোচনায় এ কথা জানান তিনি।
বিএনপি নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানকে ঘিরে চলমান আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘এখন যারা আন্দোলন করছে তারা আসলে আগের চেতনা বিক্রেতাদেরই অংশ। তারা যে খরকুটা পাবে সেটাই ধরে বাঁচতে চাইবে।
সেই সুযোগটা যারা করে দিচ্ছে, আমি তাদেরকেই দোষ দেব।’
বর্তমানে চলমান আন্দোলনগুলো পরিকল্পিত বলে মনে করেন নিলুফার চৌধুরী।
ইঞ্জিনিয়ারদের আন্দোলনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ইঞ্জিনিয়ারদের আন্দোলন কি এই সময়ে হওয়ার কথা ছিল? আমার তো মনে হয় না। হঠাৎ করেই এই আন্দোলন শুরু হয়েছে।
অথচ এ ধরনের ঘটনা তো আবহমানকাল থেকেই চলে আসছে। আন্দোলনের একটা নিয়ম আছে। প্রথমে স্বারক নিয়ে ডিসিকে, এরপর সচিবালয়, সবশেষে সরকারের কাছে যাবে। কিন্তু এখনকার ছেলেমেয়েরা প্রথম ধাপেই শেষ ধাপটা করে ফেলে।’
তিনি এ ধরনের পরিস্থিতির সঙ্গে চিকিৎসার উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘প্রথমেই এন্টিবায়োটিক দিয়ে শুরু করলে পরে নাপা বা প্যারাসিটামল কোনো কাজ দেয় না। আজকের ঘটনাটাও অনেকটা এরকম। এক শ্রেণি শুধু বারুদের মধ্যে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। সেই আগুনে সব জ্বলে ছাই হয়ে যাচ্ছে।’
জুলাই যোদ্ধাদের বর্তমান ভূমিকা নিয়ে নিলুফার চৌধুরী প্রশ্ন রাখেন, ‘তারা কেন এমন কর্মকাণ্ডে যুক্ত হচ্ছেন।
যারা জুলাইয়ের আসল নেপথ্যের লোক, তারা কি সত্যিই দেশটাকে ভালোবাসে? তারা কি এই দেশের সার্বভৌমত্ব চায়? যদি চাইত, তাহলে এসব করাতো না।’
সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে কারাগারে প্রেরণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘লতিফ সিদ্দিকী ১৩ মাস ধরে বাইরে আছেন। তার সঙ্গে যেসব মানুষকে নেওয়া হয়েছিল তাদের নিয়ে এতোদিনে কোনো টনক নড়ল না। আজকে একটা মিটিং হলো, গোয়েন্দা সংস্থা উপস্থিত ছিল। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও এই লাগানোটা কে লাগালো?’
এমআর/এসএন